বনের আদিম গ্রন্থের গল্প- নোংরা খরগোশের রাজত্ব হাবিজাবি কথামালা

বনের আদিম গ্রন্থের গল্প- নোংরা খরগোশের রাজত্ব হাবিজাবি কথামালা


বনের যত পশুপাখিরা শোন দিয়া মন
নোংরা এক খরগোশের কথা করিব বর্ণন।
করো করো বর্ণনা শুনি সকলে-
করিতে চাই করে যে ভয়
নোংরা খরগোশ যে এখন বনের রাজা!

ভয় নাই, ভয় নাই, করো বর্ণন-
করি তাহলে কি বলেন সকলে
ভয় নাই, ভয় নাই, করো বর্ণন-
এক যে ছিলো নোংরা খরগোশ
নোংরা পানি টানি খায়, দাঁত মুখে কথা শুনলে বুঝা যায়,
ঠিক ঠিক বিশ্রী নোংরা, দেখলে বোঝা যায়।

অশান্তি বন জুড়ে সেনাপতি ঘুমায়,
ঠিক ঠিক, নোংরা পানি টানি খায়।
দুস্ট হাজার শিয়াল নোংরা খরগোশের দরবারে,
ঠিক ঠিক দুস্ট নয় সব লেজকাটা শিয়াল!

বললেন ভাল লেজকাটা আর অতি পাকা,
আরে বলো বলো চোরের মার বড় গলা,
সবগুলো বাটপার!
আচ্ছা বললাম চোরের মার বড় গলা!

একজন বলে বনে যুদ্ধ অবস্থা,
আরেকজন বলে বন ছিলো গাজা!
মিথ্যুক, মিথ্যুক সব লেজকাটা!
লুটতরাজ, চুরি, ছিনতাই আর ধর্ষণ বন জুড়ে,
ঠিক ঠিক খুব বেড়ে গেছে নোংরা খরগোশের বনে।

ধর্মান্ধ উগ্র মৌলাবাদিদের দিয়েছে দুধ কলা,
আর অতি পাকাদের করেছে গলার মালা।
ঠিক ঠিক সত্য সত্য!
বন ভাঙতে, বনের বাড়ি ভাঙতে,
আর চাঁদাবাজির ফ্রি লাইসেন্স দিয়েছে টাংকি ভরে,
ঠিক ঠিক তা দিচ্ছে গদিতে বসে থাকতে।

মজার না? বুঝছেন সকলে
প্রথম থেকেই দেখেন বনের ভিতরে করলো আইন:
দুধ দিবেনা তার গ্রামের গাভীন গাই!
নিজের গাজর-মূলা তাও করলো মাফ মওকুফ সাফা সাফা!
ঠিক ঠিক নিজেরটা ষোলআনা বুঝে নোংরা খরগোশে।

শেষ করি বঙ্গ-ব-দ্বীপের এক চিত্রকরের কথা দিয়া,
আগে বলো এ দ্বীপ আফ্রিকা না ল্যাতিন আমেরিকা?
হবে কোনখানে শোনেন বলি তার কথা-
বলো বলো শুনি চিত্রকরের কথা,
কবি সাহিত্যিক নয়, এইটাই ভরসা।
বলেছিলেন চিত্রকর তাঁর কালে বন ছিলো বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে।
ঠিক বলেছেন সত্য বলেছেন
বনের আদিম গ্রন্থের কথাই বলেছেন।
মজার চিন্তা কথা বলে।।

হাবিজাবি কথামালা নিজের মনে কথা। যে নিজেই নিজের সঙ্গে কথা বলে, প্রশ্ন করে, আবার উত্তরও খোঁজে। কখনো রাগে, কখনো ব্যঙ্গে, আবার কখনো নিঃশব্দ অভিমানেই উঠে আসে এই হাবিজাবি কথাগুলো।

--- বাউল পানকৌড়ি
হাবিজাবি কথামালা-কিং সোলায়মানের হুদ হুদ পাখি --Click to Read





Read on mobile

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url