ফিডব্যাক ব্যান্ড: প্রথম পাঁচটি অ্যালবাম
বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের বিবর্তনে ফিডব্যাক একটি ইতিহাস। ১৯৭৫ সালে ফুয়াদ নাসের বাবুর হাত ধরে শুরু হওয়া অস্থির ব্যান্ডটি ১৯৭৮ সালে 'ফিডব্যাক টোয়েন্টিন্থ সেঞ্চুরি' এবং পরবর্তীতে সংক্ষেপে 'ফিডব্যাক' নামে পরিচিতি পায়। পপ সম্রাট আজম খানের আদর্শে অনুপ্রাণিত এই ব্যান্ডটি ইংরেজি গানের চর্চা ছেড়ে বাংলা গানে নিজেদের শেকড় খুঁজে নিয়েছিল। শুরুর দিকে ঢাকার অভিজাত হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল এ নিয়মিত ইংরেজি গান পরিবেশন করতো। ফিডব্যাক ১৯৭৯ সালে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে প্রথমবারের মতো বাংলা গান নিয়ে এসে সাধারণ শ্রোতাদের কাছে অভাবনীয় সাড়া পায়। যা ছিল ব্যান্ডের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার মূল ভিত্তি। সেই আত্মবিশ্বাস পূর্ণতা পায় ১৯৮২ সালে বিটিভির পর্দায় এই দিন চিরদিন রবে না গানটির মাধ্যমে। জনপ্রিয়তার পাবার ধারাবাহিকতায় ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয় তাদের প্রথম অ্যালবাম ব্যান্ডের নামেই সেলফ টাইটেল ফিডব্যাক। আজকে থাকছে ব্যান্ড ফিডব্যাকের প্রথম পাঁচটি অ্যালবাম নিয়ে ১ম পর্ব।
অ্যালবাম: ফিডব্যাক- ১৯৮৫
১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে নতুন এক ব্যান্ডের সূচনা হয়। অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সারগাম এর ব্যানারে প্রকাশিত হয় ফিডব্যাক ব্যান্ডের প্রথম অডিও অ্যালবাম ফিডব্যাক। এই অ্যালবামের মধ্য দিয়েই দেশীয় ব্যান্ড সংগীতে ফিডব্যাকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। অসম্ভব সুন্দর কিছু গান ছিল এক ঝাক প্রজাপতি ছিলাম আমরা আহা নস্টালজিয়া। শহর থেকে দূরে, ওই দূর থেকে দূরে বা ঝাউ বনে এখন পছন্দের তালিকা রয়ে গেছে।
🎯 অ্যালবামের লাইন-আপ:
ফুয়াদ নাসের বাবু (কি-বোর্ড/ভোকাল) •• সেলিম হায়দার (গিটার) •• এ.জে.খান রোমেল (ভোকাল) •• পিয়ারু খান (ড্রামস/ভোকাল) •• সেকান্দর আহমেদ খোকা (বেস)।
⭕️ ট্র্যাক লিস্ট:
🟨0️⃣1️⃣ এক ঝাঁক প্রজাপতি (কথা: কাওসার আহমেদ চৌধুরী, কণ্ঠ: রোমেল)
🟨0️⃣2️⃣ কে যেন ডাকে (কথা: রোমেল , কণ্ঠ: রোমেল)
🟨0️⃣3️⃣ দিন যায় দিন চলে যায় (কথা: রোমেল , কণ্ঠ: রোমেল)
🟨0️⃣4️⃣ এই দিন চিরদিন রবে (কথা:আক্তার ফিরোজ , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨0️⃣5️⃣ দেখ ময়ূরী ওই (কথা:রোমেল , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨0️⃣6️⃣ নদী বয়ে যায় (কথা:রোমেল , কণ্ঠ:রোমেল )
🟨0️⃣7️⃣ শহর থেকে দূরে (কথা:পিয়ারু খান , কণ্ঠ:পিয়ারু খান )
🟨0️⃣8️⃣ ঝাউ বনে (কথা:রোমেল , কণ্ঠ: রোমেল)
🟨0️⃣9️⃣ এমন একদিন হতে পারে (কথা: আক্তার ফিরোজ , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨1️⃣0️⃣ পিপাসা নদী (কথা:পিয়ারু খান ,কণ্ঠ:পিয়ারু খান )
🟨1️⃣1️⃣ ওই দূর থেকে দূরে (কথা: কাওসার আহমেদ চৌধুরী, কন্ঠ: রোমেল)
🟨1️⃣2️⃣ Crazy for You
🟨1️⃣3️⃣ Love Story
অ্যালবাম: উল্লাস- ১৯৮৭
ফিডব্যাক ব্যান্ডের দ্বিতীয় অ্যালবাম উল্লাসের ব্যান্ড লাইন আপে পরিবর্তন হয়। ব্যান্ডে ভোকাল হয়ে যুক্ত হোন কিংবদন্তি মাকসুদুল হক। এই অ্যালবামে পাঁচটি গান ছিল মাকসুদুল হকে কন্ঠে। অসাধারন জনপ্রিয় গান মৌসুমী কারে ভালবাসো তুমি ছিল আলোড়ন তোলা জনপ্রিয় গান। এর বাহিরে জানালা, চিঠি, চোখ, উদাসী এই মনে ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এর মাঝে পিয়ারু খানের গাওয়া গানটি কেমন করে হায় বলবো তোমাকে বন্ধু আমি তোমায় ভালবাসি জনপ্রিয়তা ছিল অসামান্য।
🎯 অ্যালবামের লাইন-আপ:
ফুয়াদ নাসের বাবু (কি-বোর্ড/ভোকাল) •• সেলিম হায়দার (গিটার) •• এ.জে.খান রোমেল (ভোকাল) •• মাকসুদুল হক (ভোকাল) •• পিয়ারু খান (ড্রামস/ভোকাল) •• সেকান্দর আহমেদ খোকা (বেস)।
চিঠি | আজ তোমার চিঠি না পেলাম হায় | ফিডব্যাক
ফিডব্যাক অ্যালবাম: উল্লাস- ১৯৮৭
⭕️ ট্র্যাক লিস্ট:
🟨0️⃣1️⃣ মৌসুমী (কারে ভালবাস তুমি) (কথা: কাওসার আহমেদ চৌধুরী, কণ্ঠ: মাকসুদ)
🟨0️⃣2️⃣ জানালা (কেন খুলেছ মনের জানালা) (কথা: কাওসার আহমেদ চৌধুরী , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨0️⃣3️⃣ চিঠি (আজ তোমার চিঠি) (কথা:মাকসুদ , কণ্ঠ:মাকসুদ )
🟨0️⃣4️⃣ চোখ (সে যেন চোখে বলে) (কথা: মাকসুদ , কণ্ঠ: মাকসুদ )
🟨0️⃣5️⃣ মহাশূন্য (কথা: সমির সাহা , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨0️⃣6️⃣ মাঝি (মাঝি তুমি বৈঠা ধরো রে) (কথা: মাকসুদ , কণ্ঠ: মাকসুদ )
🟨0️⃣7️⃣ উদাসী এই মনে (কথা: মাকসুদ , কণ্ঠ: মাকসুদ )
🟨0️⃣8️⃣ আমার নতুন আকাশ (কথা: খশনুর আলমগীর , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨0️⃣9️⃣ কেমন করে হায় (কথা: আক্তার ফিরোজ , কণ্ঠ: পিয়ারু খান )
🟨1️⃣0️⃣ সেই দিন গুলি (কথা: সেলিম সারোয়ার , কণ্ঠ: রোমেল )
🟨1️⃣1️⃣ উপাসি (কথা: সমির সাহা , কন্ঠ: রোমেল )
অ্যালবাম: মেলা- ১৯৯০
১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় ফিডব্যাকের তৃতীয় অ্যালবাম মেলা আর বাংলাদেশ পেয়ে যায় তার সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসবের গান। মাকসুদুল হকের লেখা ও ফিডব্যাকের সুর সংমিশ্রণে তৈরি গানটি বিটিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান আনন্দমেলা তে প্রচারিত হওয়ার পরপরই মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ যতদিন এই উৎসব বেঁচে থাকবে ততদিন বাঙালির মনে নতুন নতুন রূপে বারবার দোলা দিয়ে যাবে মেলায় যাইরে গানটি। অ্যালবামের শুধু ‘মেলা’ গানটিই নয়, এই অ্যালবামের মৌসুমি-২, গোধূলি, পালকি, স্বদেশ ও মন বুঝিয়া গানগুলোও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। মেলা অ্যালবামটি সে সময় রেকর্ড সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যালবামে পরিণত হয়। ব্যাান্ড লাইন আপেও ব্যাপক পরিবর্তন হয় আগের দুই অ্যালবামের ভোকাল রোমেল খান বিদেশ পাড়ি জমান। সাথে নিয়মিত গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের জায়গায় যোগ দেয় কিংবদন্তি গিটারিস্ট সাথে লুৎফুল আহমেদ লাবু। তার কন্ঠে তিনটা গানছিল অ্যালবামটায়।
🎯 অ্যালবামের লাইন-আপ:
ফুয়াদ নাসের বাবু (কি-বোর্ড/ভোকাল) •• লুৎফুল আহমেদ লাবু (গিটার) •• মাকসুদুল হক (ভোকাল) •• পিয়ারু খান (ড্রামস/ভোকাল) •• সেকান্দর আহমেদ খোকা (বেস)।
⭕️ ট্র্যাক লিস্ট:
🟨0️⃣1️⃣ মেলা (মেলায় যাই রে) (কথা: মাকসুদ, কণ্ঠ: মাকসুদ)
🟨0️⃣2️⃣ মৌসুমী-২ (কথা: মাকসুদ , কণ্ঠ: মাকসুদ )
🟨0️⃣3️⃣ গোধুলী (কথা:মাকসুদ , কণ্ঠ:মাকসুদ)
🟨0️⃣4️⃣ ফিরে এসো (কথা: ফুয়াদ নাসের বাবু , কণ্ঠ: লাবু)
🟨0️⃣5️⃣ স্বদেশ (কথা: আহমেদ ইউসুফ সাবের , কণ্ঠ: মাকসুদ)
🟨0️⃣6️⃣ মন বুঝিয়া (কথা: আহমেদ ইউসুফ সাবের , কণ্ঠ: পিয়ারু)
🟨0️⃣7️⃣ নীল নক্সা (কথা: আসিফ ইকবাল , কণ্ঠ: মাকসুদ )
🟨0️⃣8️⃣ ছোট্ট পাখি (কথা: লাবু , কণ্ঠ: লাবু)
🟨0️⃣9️⃣ মূয়রী আকাশ (কথা: নজরুল ইসলাম বাবু , কণ্ঠ:লাবু)
🟨1️⃣0️⃣ পালকী (কথা: আহমেদ ইউসুফ সাবের , কণ্ঠ:মাকসুদ )
🟨1️⃣1️⃣ জীবন জ্বালা (কথা: মাকসুদ , কন্ঠ: মাকসুদ )
🟨1️⃣2️⃣ জন্মেছি এই দেশে (কথা: মাকসুদ , কন্ঠ: মাকসুদ )
অ্যালবাম: জোয়ার- ১৯৯২
১৯৯২ সালে কলকাতার এইচ.এম.ভি থেকে বাংলাদেশের কিংবদন্তি ব্যান্ড ফিডব্যাকের কালজয়ী গানগুলো নিয়ে প্রকাশিত হয় বিশেষ অ্যালবাম জোয়ার। মাকসুদুল হকের কণ্ঠে এই অ্যালবামে মৌসুমী-১, মৌসুমী-২, এই দিন চিরদিন, ঐ দূর থেকে দূরে, দিন যায় দিন চলে যায়, মাঝি তুমি, চিঠি, জীবন-জ্বালা,মেলা গানগুলো রিকম্পোজ করা হয় এবং মাঝি-৯১( মাঝি তো রেডিও নাই বলে) গানটি একমাত্র নতুন গান রাখা হয়। ফিডব্যাকই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম ব্যান্ড যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের অডিওর মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পায়। অ্যালবামটি প্রকাশের পর কলকাতায় আয়োজিত এক উন্মুক্ত কনসার্টে হাজার হাজার শ্রোতার উচ্ছ্বাস ছিল সেই সময়ের ভারতের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা। সেই কনসার্টের পরেই জোয়ার অ্যালবামের জনপ্রিয়তা ও চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং ক্যাসেটের দোকানে সংগীতপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড় তৈরি হয়।
🎯 অ্যালবামের লাইন-আপ:
ফুয়াদ নাসের বাবু (কি-বোর্ড/ভোকাল) •• লুৎফুল আহমেদ লাবু (গিটার) •• মাকসুদুল হক (ভোকাল) •• পিয়ারু খান (ড্রামস/ভোকাল) •• সেকান্দর আহমেদ খোকা (বেস)।অ্যালবাম: বঙ্গাব্দ- ১৯৯৪
ফিডব্যাকের সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যালবাম বঙ্গাব্দ ১৪০০। প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে সাউন্ডটেকের ব্যানারে ক্যাসেট আকারে। অ্যালবামটি সে সময় ভিন্ন দুইটি কভারে বাজারে আসে একটি গানের কথা সংযুক্ত, অন্যটি গানের কথা ছাড়া। এই অ্যালবামের প্রচ্ছদ পোস্টার গ্রাফিক ডিজাইন ও সামগ্রিক পরিকল্পনার দায়িত্বে ছিলেন আনীলা হক। আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে একটি ব্যান্ড অ্যালবামের নকশা ও ভিজ্যুয়াল ধারণার পেছনে একজন নারীর সৃজনশীল নেতৃত্ব যা সেই সময়ের জন্য ছিল সত্যিই অগ্রগামী ও সাহসী উদ্যোগ। প্রচ্ছদের ছবির জন্য আলাদা করে পোশাক ডিজাইন করা হয়েছিল। ফ্যাশন হাউস ক্যাটস আই রুমী, ডোরা ও রুশো করেছিল ডিজাইন । আর প্রচ্ছদ ও পোস্টারের আলোকচিত্র ধারণ করেছিলেন খ্যাতনামা আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ। গানে কথা সুর আর সঙ্গীতে ছিল অসাধারন। গানের শুরুতে ছোট ছোট কবিতা আহা অপূর্ব।
🎯 অ্যালবামের লাইন-আপ:
ফুয়াদ নাসের বাবু (কি-বোর্ড/ভোকাল) •• লুৎফুল আহমেদ লাবু (গিটার) •• মাকসুদুল হক (ভোকাল) •• পিয়ারু খান (ড্রামস/ভোকাল) •• সেকান্দর আহমেদ খোকা (বেস)।সুখী মানুষের ভিড়ে হারালে কোথায় | লাবু আহমেদ
ফিডব্যাক অ্যালবাম: বঙ্গাব্দ ১৪০০
⭕️ ট্র্যাক লিস্ট:
🟨0️⃣1️⃣ টেলিফোনে ফিস ফিস (কথা: মাকসুদ, কণ্ঠ: মাকসুদ)
🟨0️⃣2️⃣ মামা (কথা: মাকসুদ , কণ্ঠ: মাকসুদ )
🟨0️⃣3️⃣ গীতিকবিতা-১ (মনে পড়ে তোমায়) (কথা:মাকসুদ , কণ্ঠ:মাকসুদ)
🟨0️⃣4️⃣ উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি (কথা:মাকসুদ , কণ্ঠ:মাকসুদ)
🟨0️⃣5️⃣ ভীরু মন (কথা:মাকসুদ , কণ্ঠ:মাকসুদ)
🟨0️⃣6️⃣ পালকী-২ (কথা: মাকসুদ , কণ্ঠ: মাকসুদ)
🟨0️⃣7️⃣ বিদ্রোহি (কথা: আহমেদ ইউসুফ সাবের , কণ্ঠ: লাবু )
🟨0️⃣8️⃣ আশা (কথা: পিয়ারু খান , কণ্ঠ: পিয়ারু খান)
🟨0️⃣9️⃣ গীতিকবিতা-২ (ধন্যবাদ হে ভালবাসা) (কথা:মাকসুদ , কণ্ঠ:মাকসুদ)
🟨1️⃣0️⃣ সুখী মানুষের ভিরে (কথা: লাবু , কণ্ঠ:লাবু রহমান )
🟨1️⃣1️⃣ আপন দেশে চলো (কথা: সংগ্রহিত , কন্ঠ: মাকসুদ )
🟨1️⃣2️⃣ সামাজিক কুষ্ঠকাঠিন্য (কথা: মাকসুদ , কন্ঠ: মাকসুদ )
ফিডব্যাক বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের আধুনিকায়নের এক অনন্য রূপকার। ১৯৮৫ সালের আত্মপ্রকাশ থেকে শুরু করে ১৯৯৪ সালের বঙ্গাব্দ পর্যন্ত এই দশকে তারা প্রতিটি অ্যালবামের মাধ্যমে নিজেদের ভেঙে নতুন করে গড়েছে। হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালের ইংরেজি গানের গণ্ডি পেরিয়ে পহেলা বৈশাখের মেলা কিংবা নাগরিক জীবনের প্রেম-বিরহ ও সামাজিক বাস্তবতাকে গানের ভাষায় তুলে এনে তারা হয়ে উঠেছে গণমানুষের ব্যান্ড। ফুয়াদ নাসের বাবুর দূরদর্শী নেতৃত্ব, মাকসুদুল হকের ক্ষুরধার লেখনী ও অনবদ্য গায়কি এবং দলের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ফিডব্যাক যে মানদণ্ড তৈরি করেছিল যা আজও বাংলা সংগীতের ইতিহাসে ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছে। এই পাঁচটি অ্যালবাম মূলত একটি প্রজন্মের আবেগ, তারুণ্য এবং শিকড় খোঁজার সার্থক দলিলে পরিণত হয়েছে।
