বাংলাদেশের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কিংবদন্তি ও স্বপ্নের ফেরিওয়ালা
বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের সোনালী ইতিহাসের কথা বললে এমন একজনের নাম অবধারিতভাবে চলে আসে, যিনি পর্দার আড়ালে থেকে সুর আর শব্দের জাদুতে প্রাণ দিতেন গানে গানে। তিনি ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিন। ছিলেন সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কিংবদন্তি এবং একজন অসাধারণ বেজ গিটারিস্ট। ১৯৮৭ সালে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করে তিনি দেশীয় সঙ্গীত জগতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। এমন একজন সৃজনশীল ব্যক্তি ছিলেন যিনি প্রযুক্তি এবং শিল্পকে একত্রিত করে অসাধারণ মানের সাউন্ড তৈরি করে রেখে গিয়েছেন। তাঁর সেই সময় সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন সাউন্ড নিয়ে। পড়াশোনা আর নতুন সব গ্যাজেট নিয়ে। তাঁর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে লাইভ কনসার্টের জন্য ছোট আকৃতির কার্যকর স্পিকার তৈরি করা। সেই লক্ষ্যে তিনি দেশীয় প্রযুক্তিতে স্পিকার উৎপাদন আর পরীক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে সেই স্বপ্নগুলো পূর্ণতা পাওয়ার আগেই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান। আজকের স্মরণ করব সেই মানুষটিকে যিনি বাংলাদেশের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মানচিত্র বদলে দিয়েছিলেন।
ব্যক্তিগত পরিচয় ও সময়কাল
পুরো নাম: ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিন।জীবনকাল: ১৯৬৯ – ২০, এপ্রিল ২০০৫ (অকাল মৃত্যু)।
পরিচয়: সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, রেকর্ডিং এনালিস্ট এবং মিউজিশিয়ান
ব্যান্ড : আর্ক, অরবিট, উইনিং।
ব্যান্ডে ভূমিকা: বেজ গিটারিস্টপ্রিয় বেজিস্ট: মটো (রেনেসাঁ), খায়াম আহমেদ (মাইলস)
শিক্ষাজীবন: নটর ডেম কলেজ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কেটিং বিভাগ
সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পথচলা
১৯৮৭ সালে তিনি পেশাদারভাবে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করেন। সে সময় বাংলাদেশের রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি ছিল সীমিত প্রযুক্তি ও সরঞ্জামনির্ভর। মবিন সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেই আন্তর্জাতিক মানের সাউন্ড তৈরি করার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি অ্যানালগ রেকর্ডিং, মাল্টি-ট্র্যাকিং, লাইভ মিক্সিং এবং স্টুডিও মাস্টারিং—সব ক্ষেত্রেই গভীর দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। নতুন নতুন গ্যাজেট, সাউন্ড প্রসেসর, মিক্সিং কনসোল এবং রেকর্ডিং সফটওয়্যার নিয়ে তাঁর নিরন্তর গবেষণা তাঁকে সমসাময়িকদের থেকে আলাদা করেছে। তাঁর কাজের মাধ্যমে দেশীয় ব্যান্ড সংগীতে স্বচ্ছ, শক্তিশালী এবং ব্যালান্সড সাউন্ডের একটি নতুন ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যান্ডের সাথে সম্পৃক্ততা
একজন দক্ষ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন তুখোড় বেজ গিটারিস্ট। তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় ব্যান্ডের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন:
🎸 অরবিট (Orbit): ১৯৮৯ সালের কথা। বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত যখন নতুন জোয়ারের অপেক্ষায়, ঠিক তখন একঝাঁক সৃজনশীল তরুণের হাত ধরে জন্ম নেয় অরবিট' (Orbit)। পলাশ, আশরাফ বাবু, আলী আহমেদ বাবু, রাসেল, তৌহিদ এবং অকালপ্রয়াত সাউন্ড জাদুকর ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিনের সমন্বয়ে গঠিত এই ব্যান্ডটি তাদের ভিন্নধর্মী গায়কী ও সুরের বৈচিত্র্যে খুব অল্প সময়েই শ্রোতামহলে আলোড়ন সৃষ্টি করে। আত্মপ্রকাশের মাত্র এক বছরের মাথায় ১৯৯০ সালে তারা বাজারে নিয়ে আসে তাদের প্রথম অ্যালবাম অরবিট।
🎸 উইনিং (Winning): ১৯৯৪ সালে উইনিং ব্যান্ডের দ্বিতীয় অ্যালবাম অচেনা শহর তাঁর বেজ গিটার প্লে ছিল অসাধারণ।
🧑🎤 আর্ক (Ark): ১৯৯৩ সালে ব্যান্ড আর্কের প্রথম অ্যালবাম মুক্তিযুদ্ধ প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটিতে এতকাল শিরোনামে তাঁর লেখা ও কন্ঠে একটি গান ছিল।
এতকাল ভাবোনি তুমিকল যদি তোমার হয় বিকলসব খেলা শেষ হয়ে যাবেহবে তোমার সব বিফলক্ষনে হাসাহাসি ক্ষনে কাঁদায়তার সেই খেলার অন্ত নাইমানুষ রূপি পুতুল নিয়ে কতই খেলাখেলেন সাঁই..আয় তোরা আয়হাত ধরি মোরা কজনায়চলে যাবো বহুদূরে কোন অজানায়
এতকাল | ইমারন আহমেদ চৌধুরী মবিন
আর্ক | মুক্তিযুদ্ধ-১৯৯৩
সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিপ্লব
তিনি ছিলেন প্রযুক্তিনির্ভর একজন শিল্পী। সেই সময়ে যখন এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর হচ্ছিল, তখন তিনি নতুন নতুন গ্যাজেট এবং সাউন্ড মিক্সিং সফটওয়্যার নিয়ে নিরলস গবেষণা করতেন। অডিও আর্ট: তাঁর মিক্সিং এবং মাস্টারিংয়ের জন্য তৈরি স্টুডিও 'অডিও আর্ট' ছিল সেই সময়ের ব্যান্ডগুলোর প্রথম পছন্দ। লাইভ সাউন্ড: কনসার্টে দর্শকদের কানে নিখুঁত শব্দ পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত মানের স্পিকার তৈরির স্বপ্ন দেখতেন এবং প্রোটোটাইপ নিয়ে কাজ করতেন।
স্টুডিও যুগ: ‘সাউন্ড গার্ডেন’ ও শব্দের জাদুকরী অধ্যায়
১৯৯৪ সাল। বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত যখন এনালগ থেকে ডিজিটালের দিকে মোড় নিচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিন যোগ দেন তৎকালীন সময়ের অন্যতম আধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও ‘সাউন্ড গার্ডেন’-এ। এখান থেকেই শুরু হয় তাঁর সৃজনশীলতার এক সুবর্ণ অধ্যায়, যা বদলে দিয়েছিল আমাদের শোনার অভ্যাস।
👉 কিংবদন্তিদের প্রিয় কারিগর:
তিনি ছিলেন এমন একজন টেকনিশিয়ান, যাঁর ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করতেন সময়ের সেরা ব্যান্ড এবং শিল্পীরা। সাউন্ড গার্ডেনে থাকাকালীন তিনি কাজ করেছেন দেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির মহীরুহদের সাথে: ব্যান্ড: মাইলস (Miles), ফিডব্যাক (Feedback), এলআরবি (LRB), অর্থহীন (Aurthohin), ক্রিপটিক ফেইট (Cryptic Fate)।
👉 কালজয়ী অ্যালবামে মবিনের স্বাক্ষর
মিক্সিং ও মাস্টারিং করা অ্যালবামগুলো আজও অডিও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঠ্যবই হিসেবে গণ্য হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ: স্বপ্ন (এলআরবি): গিটার ও ড্রামসের এমন ব্যালান্স আগে কখনও শোনা যায়নি।
ক্যাপসুল ৫০০ এমজি এক্সপেরিমেন্টাল সাউন্ডের এক দুর্দান্ত বহিঃপ্রকাশ।
👉 কালজয়ী অ্যালবামে মবিনের স্বাক্ষর
মিক্সিং ও মাস্টারিং করা অ্যালবামগুলো আজও অডিও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঠ্যবই হিসেবে গণ্য হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ: স্বপ্ন (এলআরবি): গিটার ও ড্রামসের এমন ব্যালান্স আগে কখনও শোনা যায়নি।
ক্যাপসুল ৫০০ এমজি এক্সপেরিমেন্টাল সাউন্ডের এক দুর্দান্ত বহিঃপ্রকাশ।
👉 ড্রামস সাউন্ডের মবিন টাচ: রাতের তারা ও স্ন্যায়ার টোন
তাঁর কাজের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর ড্রামস প্রসেসিং। অডিও ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে আজও বিস্ময় হয়ে আছে এলআরবি-র স্বপ্ন অ্যালবামের ‘রাতের তারা’ গানটি। তাঁর তৈরি করা ড্রামস সাউন্ড কখনো কানে লাগত না (Not Harsh), বরং গানের মেলোডির সাথে মিশে এক অদ্ভুত গভীরতা তৈরি করত। ড্রামসের প্রতিটি কিক্ আর স্ন্যায়ারের হিট ছিল একদম মাপা এবং জীবন্ত। শুধু নড বা স্লাইডার নাড়াতেন না; তিনি বুঝতেন গানের আবেগ। তিনি জানতেন কোন ফ্রিকোয়েন্সিটা শ্রোতার হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করবে। তাঁর মিক্সিংয়ে ইন্সট্রুমেন্টগুলো একে অপরের ওপর চেপে বসত না, বরং প্রতিটি বাদ্যযন্ত্রের জন্য তিনি একটি আলাদা 'স্পেস' তৈরি করে দিতেন।
লাইভ কনসার্টে বিপ্লব: মঞ্চের পেছনের নায়ক
স্টুডিওর চার দেয়ালের বাইরেও মবিনের দক্ষতা ছিল কিংবদন্তিতুল্য। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি কনসার্টের সফলতা নির্ভর করে সাউন্ডের স্বচ্ছতার ওপর।
👉 আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদচিহ্ন: ১৯৯৬ সালে কিংবদন্তি ব্যান্ড LRB-এর প্রথম বিদেশ সফরে (কলকাতা আইআইএম ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়) তিনি সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। সেখানে ড্রামসের লাইভ টোন এবং ব্যালান্সড PA সিস্টেমের যে প্রদর্শনী তিনি করেছিলেন, তা দর্শকদের মাঝে বিস্ময় সৃষ্টি করেছিল।
👉 সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা: ২০০৪-০৫ সালের দিকে তিনি প্রথাগত বিশাল স্পিকারের বদলে ছোট আকৃতির কিন্তু হাই-ডেফিনিশন সাউন্ড আউটপুট দিতে সক্ষম স্পিকার সিস্টেম নিয়ে কাজ শুরু করেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের লাইভ সাউন্ড অভিজ্ঞতা সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসা।
নতুন প্রজন্মের সাউন্ড নির্মাতা: একটি যুগের পরিবর্তন
২০০০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশে যখন অল্টারনেটিভ রক এবং হেভি মেটালের নতুন ঢেউ আসছিল, তখন সেই কাঁচা সুরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের 'সাউন্ড'-এ রূপান্তর করেছিলেন ।
👉 ব্যান্ডের আইডেন্টিটি তৈরি: বিশেষ করে Black এবং Artcell-এর মতো ব্যান্ডগুলোর শুরুর দিকের সাউন্ড সিগনেচার তৈরিতে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। গিটারের ডিসটোরশন থেকে শুরু করে ড্রামসের পাঞ্চ—সবকিছুতেই মবিনের ছোঁয়া ছিল।
👉 ছাড়পত্র' (Charpotro) অ্যালবাম: এই মিক্সড অ্যালবামটিকে বাংলাদেশের নতুন ধারার রক ব্যান্ডের 'টার্নিং পয়েন্ট' বলা হয়। মবিন এখানে ভোকাল স্পেসিং এবং ড্রাম প্রসেসিংয়ের এমন এক টেক্সচার তৈরি করেছিলেন, যা সেই সময়ের তুলনায় ছিল অনেক বেশি আধুনিক ও নিখুঁত।
২০ এপ্রিল ২০০৫: ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিনের অকাল প্রস্থান
বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে ২০ এপ্রিল ২০০৫ একটি শোকাবহ দিন। এই দিনেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিন। দেশের অন্যতম সেরা সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, রেকর্ডিং অ্যানালিস্ট ও মিউজিশিয়ান। ২০০৫ সালের ২০ এপ্রিল ভোররাত। চট্টগ্রামে কনসার্ট শেষ করে একটি মাইক্রোবাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। গাড়িতে ছিলেন Black ব্যান্ডের সদস্যরাও। সময় তখন আনুমানিক ভোর ৪টা ৩০ মিনিট। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়ির একটি টায়ার বিস্ফোরিত হয়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাসটি সড়ক থেকে ছিটকে গিয়ে কয়েকবার উল্টে পড়ে। রাতের অন্ধকার, ফাঁকা মহাসড়ক, আর হঠাৎ ঘটে যাওয়া সেই দুর্ঘটনা সবকিছু যেন মুহূর্তের মধ্যে বদলে দেয় বহু মানুষের জীবন। দুর্ঘটনায় গাড়ির বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। কিন্তু মবিন আর বেঁচে ফেরেননি। আঘাত ছিল এতটাই মারাত্মক যে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স তখন মাত্র ৩৬। বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গন সেই মুহূর্তে হারায় একজন প্রযুক্তিবিদকে নয় একজন স্বপ্নদ্রষ্টাকে।
চিরকাল অম্লান এক নক্ষত্র: শ্রদ্ধাঞ্জলি ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিন
তাঁর মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো ব্যান্ড মহল। যারা তাঁর সঙ্গে স্টুডিওতে কাজ করেছেন, লাইভ কনসার্টে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারা জানতেন একজন নিখুঁততাবাদী, ধৈর্যশীল এবং গভীরভাবে সংগীতনিবেদিত মানুষকে হারানো মানে এক চলমান সৃষ্টিশীল শক্তিকে হারানো। তার অকাল প্রয়াণ শুধু একটি দুর্ঘটনার খবর ছিল না ছিল একটি যুগের আকস্মিক সমাপ্তি। ৯০-এর দশক থেকে ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলাদেশের আধুনিক ব্যান্ড সাউন্ডের পেছনে যে নীরব স্থপতি কাজ করছিলেন, তিনি হঠাৎ করেই নেই। ২০০৪–২০০৫ সময়ে ছোট আকারের কিন্তু উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্পিকার সিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছিলেন। লাইভ কনসার্টের জন্য দেশীয়ভাবে উন্নত সাউন্ড সিস্টেম তৈরি করা ছিল তাঁর বড় স্বপ্নগুলোর একটি। সেই স্বপ্ন আর পূর্ণতা পায়নি। তবু মৃত্যু তাঁকে মুছে দিতে পারেনি। প্রতিটি মিক্সে, প্রতিটি ড্রাম সাউন্ডে, প্রতিটি লাইভ কনসার্টের স্বচ্ছতায় তিনি রয়ে গেছেন। ইমরান আহমেদ চৌধুরী মবিনের মৃত্যু ছিল আকস্মিক, নির্মম এবং অকাল। কিন্তু তাঁর কাজ তার তৈরি করা সাউন্ড বাংলাদেশের সংগীত ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে আছে। আমাদের সবোর্চ্চ গভীরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।।
