ভবা পাগলা- দুই বাংলার মরমী লোকসংগীতের এক অমর কিংবদন্তি
বাংলার মাটির পরতে পরতে মিশে আছে মরমী সাধকদের সুর আর বাণী। তেমনই এক বিস্ময়কর অথচ প্রচারবিমুখ সাধক ছিলেন ভবা পাগলা। যার প্রকৃত নাম ভবেন্দ্র মোহন সাহা হলেও তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন তাঁর সৃষ্টিতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক গানের মধ্য দিয়ে। ঢাকা ও মানিকগঞ্জ অঞ্চলের মাটি থেকে উঠে আসা এই মরমী শিল্পী গানের ভণিতায় নিজেকে কেবল 'ভবা' বা 'ভবেণ' বলে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গণ্ডি না পেরোলেও জীবনবোধ আর ভক্তিভাবের এক অনন্য সমন্বয়ে তিনি রচনা করেছেন হাজার হাজার গান। আজকের লেখায় আমরা আলোচনা করব এই মহান কিংবদন্তির জীবন, তাঁর গানের দর্শন এবং দুই বাংলার সংগীত জগতে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদান নিয়ে।
আমাদের এই আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে থাকছে 'জয় ভবা'র অমর সৃষ্টি ভবা গানের এক বিশেষ সংকলন। প্রথম পর্বের ধারাবাহিকতায় এই পর্বের পর এখানে থাকছে আরও ১৫টি কালজয়ী গানের কথা বা বানী। ভবা পাগলার গানের সংখ্যা নিয়ে গবেষকদের মাঝে যথেষ্ট কৌতূহল রয়েছে। বিভিন্ন তথ্যসূত্র এবং ইন্টারনেট ঘেঁটে জানা যায়, তাঁর রচিত গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও অধিক। তবে লোকমুখে প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী এই সংখ্যাটি প্রায় ছিয়াশি হাজার! সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও একটি বিষয় ধ্রুব সত্য—প্রচারবিমুখ এই মরমী সাধক ব্যক্তিজীবনে নিজেকে আড়ালে রাখলেও তাঁর সৃষ্টি আজও অম্লান। আমাদের কাছে তিনি কিছুটা বিস্মৃতপ্রায় হলেও, তাঁর গান বাংলার সহজিয়া দর্শন ও লোকসংগীতের এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে আজও প্রতিটি হৃদয়ে স্পন্দিত হয়। জয় ভবা।"
👉 পর্ব-২, ভবার গান জয় ভবা
2️⃣1️⃣ রসনারই রসে মায়ামোহ বশে হেসে হেসে গেল দিন
2️⃣2️⃣ মাকে অত ডাকবাে কেন কাজে ব্যস্ত সকল সময়
2️⃣3️⃣ যে জন সকাল-সন্ধ্যায় তাঁরই গুণ গায়
2️⃣4️⃣ আজি গৌরাঙ্গ লাল রে আমার গৌরাঙ্গ লাল
2️⃣5️⃣ আমার কেউ নাই, আমার কেউ নাই রে
2️⃣6️⃣ আমার নিতাই চাঁদের দরবারে, গৌর চাঁদের বাজারে
2️⃣7️⃣ বৃন্দাবনের’ পথে যাবো আমায় পথ দেখাবে কে
2️⃣8️⃣ হুঁশিয়ার হবি কবে কইছে ডেকে বসুন্ধরা
2️⃣9️⃣ কালী বলো তারা বলো মন রে আমার
3️⃣0️⃣ কালো হ’লে মন্দ কি রে মায়ের মধুর-মধুর মুরতি
3️⃣1️⃣ কৃষ্ণ বলে কাঁদে কয়জনা পাগলিনী রাধা
3️⃣2️⃣ গুরু বলো মন রে আমার ছলছল নয়নে
3️⃣3️⃣ চোর ঢুকেছে ঘরে পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়লো
3️⃣4️⃣ ছেড়ে দে তোর হিংসাবৃত্তি ওরে মানুষ দেখবি যদি
3️⃣5️⃣ তোমারই জীবনে ঠকে গেলে মানুষ তুমি পাবে কি
2️⃣1️⃣
রসনারই রসে মায়ামোহ বশে হেসে হেসে গেল দিন
রসনারই রসে মায়ামোহ বশে
হেসে হেসে গেল দিন।
পাপ-পিপাসা দেয় না যে দিশা
নিশার মাতাল তুমি সজ্ঞাহীন।।
মানুষেরই বেশে এলে সােনার দেশে
বিধাতা পাঠালাে তােমায়
আবর্জনা ভরা, কুজন সঙ্গে
টেনে নিলে অজানায়।
নহ পশু তুমি, জীব অগ্রগামী
শ্রেষ্ঠ কুল তােমার নহ জলমীন্।
আর কত কাল, এলো কাছে কাল
কাল-তুফান-ভারী
ভবাপাগল কয় এই তাে সময়
একবার ডাক হরি।
এক ডাকে তােমার হবে সুবিচার
শোধ হবে যত ঋণ।।
2️⃣2️⃣
মাকে অত ডাকবাে কেন কাজে ব্যস্ত সকল সময়
মাকে অত ডাকবাে কেন
কাজে ব্যস্ত সকল সময়
মস্ত বড় বিরাট মাঝে
মাকেই একা দেখতে হয়
অসংখ্য ব্রহ্মাণ্ডেশ্বরী
যদিও অনেক কর্মচারী
ব্রহ্মা, বিষ্ণু, ত্রিপুরারী
সৃষ্টি-স্থিতি করে প্রলয়।
সকালবেলা আর সন্ধ্যাকালে
ডাকবাে দু’বার নাও মা কোলে
নাই বা আমায় কোলে নিলে
তবুও আমি মায়ের তনয়।
সবার চাইতে বেশী দরদ
মা যে ব্ৰহ্মপুত্র, পঞ্চনদ
সংসার আমার ছন্দেরই গদ
এতেই ভবার সাধনা হয়।।
2️⃣3️⃣
যে জন সকাল-সন্ধ্যায় তাঁরই গুণ গায়
যে জন সকাল-সন্ধ্যায় তাঁরই গুণ গায়
তারে কিরে পায় মরণে।
অমর হইয়া, সেজনা যে রয়
তাঁরই রাঙ্গা চরণে
ভজন পূজন, ধ্যান-উপাসনা
সরল, বিশ্বাসে, এ-ধর ধারে না।
সদা করঘােড়ে রয়,, ভক্তি আরাধনা
ভক্তের ভক্তির পিছনে।
শমন, এ তাে অতি সামান্য
দেবাদিদেব করে তার মান্য ।
তারে ভয় পায় পাপ আর পুণ্য
ধন্য ধন্য রটে ভুবনে।
অসাধ্য বলিতে, নাই কিছু তার
সবাই বাধ্য, বেদেতে প্রচার।
অতি সত্য প্রমাণ, পাগলা ভবার
ব্ৰহ্মাণ্ড ভূষিত তাঁরই গুণে॥
2️⃣4️⃣
আজি গৌরাঙ্গ লাল রে আমার গৌরাঙ্গ লাল
আজি গৌরাঙ্গ লাল রে
আমার গৌরাঙ্গ লাল
নিতাই প্রেম মাতাল রে
নিতাই প্রেম মাতাল
ও আমার শ্রীঅদ্বৈত গদাধর
ভকত কাঙাল রে
ভকত কাঙাল।
শ্রীবাস অঙ্গনে কীর্তনে-কীর্তনে
ফাগুয়া আবির হল
লালে ওই লাল রে
লালে ওই লাল।
নদীয়ার রাঙামাটি নদীয়ার বসতবাটী
কোটি-কোটি জনম
মহাভাগ্যের ফল রে
মহাভাগ্যের ফল।
ভবা ফাগুয়া দিনে নিবেদন শ্রীচরণে
নদীয়ার শ্রীবৃন্দাবনে
একই খেয়াল রে
একই খেয়াল।।
2️⃣5️⃣
আমার কেউ নাই, আমার কেউ নাই রে
আমার কেউ নাই
আমার কেউ নাই রে
শুধু নয়নেরই জল
সেই তো সম্বল,
বোঝাতে পারি না ব্যথা
আমি সকলই হারাই।
ভবার এই ভবে আসা
আশা মাত্র ভরসা,
কাটিতে এই দশম দশা
একটুখানি কৃপা চাই।
2️⃣6️⃣
আমার নিতাই চাঁদের দরবারে গৌর চাঁদের বাজারে
আমার নিতাই চাঁদের দরবারে গৌর চাঁদের বাজারে
একমন যার সেই যেতে পারে,
আবার দুই মন হলে পড়বি ফেরে, ক্ষ্যাপারে
ওরে পারবি না পারে যেতে।
চার দশে চল্লিশ সেরে মন
রতি মাশা কম হইলে, ক্ষ্যাপারে
নেয় না মহাজন,
বলি আরেক হাকিম বসে আছে,
ব্রজে রাধারাণী পার করে।
কাঠুরিয়া মানিক চিনে না, ক্ষ্যাপারে
চিনির বলদ বয় যে চিনির
ও ভাই, স্বাদতো পেলো না,
যেমন স্বর্ণকারে সোনা চেনে
আবার নেই সেথায় পরখ করে।
যে জন চাকতা গুড়ের
ভিয়ান জানে না
ওলা রস বাঁধবি কি করে,
আবার ভবা পাগলার রসের তত্ত্ব
ওরে জীবে জানবে কি করে।
2️⃣7️⃣
বৃন্দাবনের পথে যাবো আমায় পথ দেখাবে কে
বৃন্দাবনের পথে যাবো
আমায় পথ দেখাবে কে?
কেকা রবে ময়ূর ডাকে
বলো এই দিকে না ওই দিকে?
কবে হবে আকাশবাণী
আমায় কৃপা করবেন রাধারানী,
শূন্য পথে বংশীর ধ্বনি
বাজবে যখন আমার বুকে।
শ্যাম-সোহাগী গৌরী আমার
কৃষ্ণ নামে দিচ্ছে ঝংকার,
নীল যমুনার এপার-ওপার
কত মধুর ছবি আঁকে।
শ্যামসুন্দর আর মদন মোহন
বাঁশির সুরে ভরলো ভুবন,
ওরে আমার বধির শ্রবণ
আমার অন্ধ নয়ন খুলে দেবে?
ময়ূর নাচে পেখম তুলে
হা কৃষ্ণ, হা কৃষ্ণ ব’লে,
ভবা বলে আয়রে চলে
বলে আয় তোর শ্যামা মাকে।
2️⃣8️⃣
হুঁশিয়ার হবি কবে কইছে ডেকে বসুন্ধরা
হুঁশিয়ার হবি কবে
কইছে ডেকে বসুন্ধরা,
চোর পড়বে ধরা
একদিন চোর পড়বে ধরা।
ওপরে বেশ পরিপাটি
অভ্যন্তরে দুষ্টুর ঘাঁটি,
শেষকালেতে যমের লাঠি
দফারফা করবে সারা।
হাতে কড়ি মাজায় দড়ি
পড়বি যে রে পায়ে বেড়ি,
আর কতকাল করবি চুরি
ওরে মন, লক্ষ্মীছাড়া।
শয়তানের শয়তানি
ছয়জনার নয় এ অবনী,
এই মানবজমি দেহখানি
সোনার খনি সোনায় মোড়া।
চোর হয়ে মন সাধুর বেশে
ঘুরিস না আর এমন দেশে,
ভবা পাগলা কইছে হেসে
অন্তে হবি জ্যান্তে মড়া।
2️⃣9️⃣
কালী বলো তারা বলো মন রে আমার
কালী বলো তারা বলো মন রে আমার,
হাসিমাখা বদনে ছলোছলো নয়নে,
আনন্দ কাননে, মন ঘোরো অনিবার।
গতি নাই গতি নাই কালী নাম ছাড়া,
ও মন আমার,
কণ্ঠ ভরিয়া গাও হয়ে আত্মহারা।
ওই দেখো তোমার বন্ধু তরিতেছে ভবসিন্ধু,
একবিন্দু আশা তুমি করিও না আর।
কেউ তো কারো নয় – একথাটি সত্য,
বুঝেও তো বোঝো না মন তুমি যে ওই নিত্য,
ওই দেখো শ্মশানে কি বা নিশিদিনে,
পুড়িতেছে মানবের যত অহংকার।
আর কতদিন তুমি রবে ধরাধামে,
মরণ তোমার সত্য মজ কালীনামে,
ভবা পাগলা কহে প্রাণ থাকিতে দেহে
কালীনামে ভরিয়া দাও বিষয় সংসার।
3️⃣0️⃣
কালো হ’লে মন্দ কি রে মায়ের মধুর-মধুর মুরতি
কালো হ’লে মন্দ কি রে
মায়ের মধুর-মধুর মুরতি
দুর্গতিনাশিনী কালী
কালী অগতির গতি।
আমার মায়ের পদতলে
লক্ষ-লক্ষ মানিক জ্বলে
ওরে, মহা-মহা পুণ্যফলে
কেউ দেখে সে মায়ের জ্যোতি।
আবার জনম বিফলে গেল
মোর ভাগ্যে না ঘটিল
তাই, ভবা পাগলা পাগল হলো
জানে না সে সাধন রীতি।
3️⃣1️⃣
কৃষ্ণ বলে কাঁদে কয়জনা পাগলিনী রাধা
কৃষ্ণ বলে কাঁদে কয়জনা
পাগলিনী রাধা কাঁদে,
আর কাঁদে যমুনা।
বাঁশি যখন বাজতে থাকে
নীলযমুনার আঁকেবাঁকে,
রাধে তখন কলসী কাঁখে
কি করবে সে জানে না।
রাধারাণীর স্মরণ নিলে
তবে কৃষ্ণের দেখা মেলে,
রাধে তুমি কোথায় গেলে
কৃষ্ণপ্রেমের গিনিসোনা।
যমুনা আর রাধারাণী
আমায় কৃপা করবে জানি,
দুই অঙ্গে এক অঙ্গখানি
গৌর কাঁদে, কৃষ্ণ কাঁদে না।
কৃষ্ণ কেবল বাজায় বাঁশি
তাই তো কৃষ্ণ ভালোবাসি,
ভবাও তাই কইছে হাসি
কান্নাকাটির ধার ধারে না।
3️⃣2️⃣
গুরু বলো মন রে আমার ছলছল নয়নে
গুরু বলো, গুরু বলো মন রে আমার
ছলছল নয়নে হাসিমাখা বদনে,
আনন্দকাননে ঘুরো অনিবার।
কেউ তো কারো নয় একথাটি সত্য
বুঝাইলে বোঝো না মন, সকলি অনিত্য,
ওই দেখো তোমার বন্ধু তরাইতে ভবসিন্ধু
একবিন্দু দেরী তুমি করিও না আর।
আর কতদিন রবে তুমি এই ধরাধামে
মন তুমি মিশায়ে দাও নিত্য হরিনামে,
ওই দেখো শ্মশানে দিবারাত্র দিনে
জ্বলিছে মানবের যত অহংকার,
ভবা পাগলা কহে প্রাণ থাকিতে দেহে
মিশায়ে দাও তোমার যত অলংকার।
3️⃣3️⃣
চোর ঢুকেছে ঘরে পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়লো
চোর ঢুকেছে ঘরে
পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়লো
ধরবে কেমন ক’রে।
ঘুমান যিনি, জাগান তিনি
কি মুশকিল, ছিনিমিনি,
ফিসফিস আর কানাকানি
সব নিল, মন, হ’রে।
বিবেক বস্তি, ধস্তাধস্তি
পালোয়ানের ভাই বেজায় কুস্তি,
ডাঙাতে বাঘ, জলে হস্তী
মস্তিষ্কের মগজ ধ’রে।
ঘরের মালিক পাগলা ঠাকুর
পুষেছিল দু’টি কুকুর,
অচৈতন্য ঘুমে বিভোর
শ্রীচৈতন্য পড়ল ফেরে।
ভবা পাগলা চোর ধরতে
জেগে থাকে দিনে রাতে,
জেগে দেখি রোজ প্রভাতে
কিছু নাই ভান্ডারে।
3️⃣4️⃣
ছেড়ে দে তোর হিংসাবৃত্তি ওরে মানুষ দেখবি যদি
ছেড়ে দে তোর হিংসাবৃত্তি
ঐ তো বিঘ্ন অতি প্রধান,
ওরে মানুষ দেখবি যদি ভগবান।
ছেড়ে দে তোর ভিন্ন বেধ
দেখ না শাস্ত্র দেখ না বেদ,
বাইবেল, কোরান নয়রে প্রভেদ
শোনরে হিন্দু, শোন মুসলমান।
ভিন্ন নয় রে আল্লা-হরি
শোন রে ফকির ব্রহ্মচারী,
দেখতে তাঁর হয় না দেরি
খুলে ফেল তোর হৃদয় প্রাণ।
কি বা মন্দির, কি বা মসজিদ
শাস্ত্রে এটা যেমন বন্দী,
বাইরে আয় রে দেখ রে সন্ধি
উড়ছে নিশান এই বিশ্বখান।
ভবা পাগলা কইবে কত
সবার পদে হয় সে নত,
দেখ না ভেবে শত শত
আসা যাওয়া একই সমান।
3️⃣5️⃣
তোমারই জীবনে ঠকে গেলে মানুষ তুমি পাবে কি
তোমারই জীবনে ঠকে গেলে মানুষ তুমি
পাবে কি আর ফিরে এমন জনম,
কত অপরাধ, কত অপমান করিতেছ
প্রতিদিন ভীষণ-ভীষণ।
হাসিয়া-হাসিয়া কত করিতেছ পাপ
কাঁদিলেও ফুরাবে না সেই অনুতাপ,
কুড়িয়েছ শত-শত কত অভিশাপ
কত জনার প্রাণে ব্যথা দিলে অকারণ।
ভবা কয়, কেন এলে মানুষ প্রতি ঘরে-ঘরে
নিশ্চয় ছিল কিছু সেই ভাগ্যজোরে,
কেন মন গেলে তুমি এত ছারেখারে
এখনো চাও ক্ষমা ভবে আছ যতক্ষণ।
মরমী সাধক ভবা পাগলার গানের সংকলন ও আধ্যাত্মিক দর্শন
আজকের এই সংকলনটি আপনাদের অন্তরের খোরাক জোগাবে এবং বাংলার এই অমূল্য লোকসংগীতকে নতুন করে চিনতে সাহায্য করবে। তবে ভবা পাগলার এই বিশাল সৃষ্টিভাণ্ডারের এখানেই শেষ নয়। তাঁর আরও কিছু দুর্লভ গান, গানের গূঢ় অর্থ এবং তাঁর জীবনের অজানা কিছু অলৌকিক ঘটনা নিয়ে খুব শীঘ্রই আসছি আমাদের তৃতীয় পর্বে। সেই পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন, গানগুলো হৃদয়ে ধারণ করুন। জয় ভবা।
