পৃথিবীর সাত আতঙ্কের ভূগোল: যেখানে ভয় ভর করে ইতিহাসে পাতায়

পৃথিবীর সাত আতঙ্কের ভূগোল: যেখানে ভয় ভর করে ইতিহাসে পাতায়

ভয়, রহস্য আর অজানার প্রতি মানুষের কৌতূহল চিরকালীন। কেউ কেউ ভূতের গল্পে ভীত হয় আবার অনেকে সেই ভয়কে কাছে টেনে নেয় ভ্রমণের অজুহাতে। বিশ্বজুড়ে এমন অনেক স্থান আছে যেগুলো কেবল সৌন্দর্য নয় বরং ভয়ঙ্কর ইতিহাস অদ্ভুত পরিবেশ আর রহস্যময়তার জন্য পরিচিত। নিচে এমন সাতটি স্থান তুলে ধরা হলো যে স্থান গুলোকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও রহস্যময় জায়গা।


১. সেডলেক অস্যুয়ারি- চেক প্রজাতন্ত্র

চেক প্রজাতন্ত্রের কুৎনা হোরা শহরের কাছে সেডলেক নামের ছোট্ট এলাকায় অবস্থিত Sedlec Ossuary বিশ্বখ্যাত “Bone Church” নামে। এটি একটি প্রাচীন গির্জার ভূগর্ভস্থ অংশ, যেখানে প্রায় ৪০,০০০ থেকে ৭০,০০০ মানুষের হাড় দিয়ে তৈরি অবিশ্বাস্য সব সাজসজ্জা রয়েছে। মধ্যযুগে প্লেগ ও যুদ্ধের কারণে হাজারো মানুষ মারা গেলে, তাদের দাফনের জায়গা কমে যায়। পরে সেই হাড়গুলো কবরস্থান থেকে তুলে এনে এই অসুয়ারিতে সংরক্ষণ ও শৈল্পিকভাবে সাজানো হয়। গির্জার দেয়াল, সিলিং, কর্নার সব জায়গায় মানুষের খুলি ও হাড় দিয়ে নকশা করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো ঝাড়বাতি, যা মানবদেহের প্রায় সব ধরনের হাড় ব্যবহার করে তৈরি। এছাড়া অস্ত্রচিহ্ন, ক্রস এবং বিভিন্ন অলংকারও সম্পূর্ণ হাড়ের নির্মাণশৈলীতে সাজানো। শিল্পী ফ্রান্তিসেক রিন্ট ১৮৭০ সালে এই অদ্ভুত ও অনন্য হাড়ের স্থাপত্যগুলোকে নতুন রূপ দেন, যা আজও পৃথিবীর স্থাপত্য ইতিহাসে এক বিস্ময়। হাড়ের চ্যাপেল নামে পরিচিত সেডলেক অসুয়ারি শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়; এটি মৃত্যুর সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, ইতিহাসের বেদনা, এবং শিল্পের অসামান্য অভিব্যক্তির এক নিদর্শন। ভয়, রহস্য ও সৌন্দর্যের এক অদ্ভুত মিশ্রণ এখানে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে রাখে। তাই ইতিহাস, স্থাপত্য বা বিশেষ আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্য খুঁজলে সেডলেক অসুয়ারি হতে পারে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

সেডলেক অস্যুয়ারি- চেক প্রজাতন্ত্র

২. বেল উইচ কেভ- টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্র

আমেরিকার টেনেসি অঙ্গরাজ্যের অ্যাডামস শহরে অবস্থিত Bell Witch Cave একটি জনপ্রিয় ভুতুড়ে পর্যটনকেন্দ্র, যা ১৮১৭ থেকে ১৮২১ সালের মধ্যে বেল পরিবারকে এক রহস্যময় অদৃশ্য সত্তার দ্বারা হয়রানি করার কিংবদন্তির কেন্দ্রবিন্দু। বলা হয়, জন বেল এবং তার পরিবারকে বেল উইচ নামে পরিচিত এই রহস্যময় সত্তা তাড়া করত আর তারই প্রমাণ হিসেবে জন বেলের মালিকানাধীন এই প্রায় ৫০০ ফুট দীর্ঘ গুহাটি আজও মানুষের কৌতূহলের উৎস। ন্যাশভিল থেকে মাত্র ৪০ মিনিট দূরে অবস্থিত এই স্থানে বর্তমানে Bell Witch Cave Tour’ এবং ‘Bell Witch Cave and Cabin নামে নির্দেশিত ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে ভ্রমণকারীরা গুহার ভৌতিক পরিবেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বেল উইচের কিংবদন্তি ঘিরে থাকা নানা গল্প কাছ থেকে অনুভব করতে পারেন। এখানে প্রাচীন আদিবাসী আমেরিকান সমাধিস্থল, জন বেল পরিবারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার হওয়া চিমনি পাথর ও লোহার কেটলি, বিভিন্ন ঐতিহাসিক ছবি ও সংবাদপত্রের প্রতিবেদনসহ বহু নিদর্শন প্রদর্শন করা হয়। ভয়ঙ্কর পরিবেশ, রহস্যময় ইতিহাস এবং পর্যটন আকর্ষণের অনন্য সমন্বয়ে Bell Witch Cave আমেরিকার সবচেয়ে বিখ্যাত ভূতুড়ে স্থানগুলোর অন্যতম হিসেবে পরিচিত।

বেল উইচ কেভ- টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্র

৩. লা ইসলা দে লাস মুনিয়েকাস- মেক্সিকো

মেক্সিকো সিটির জোচিমিলকো খালের মাঝে অবস্থিত La Isla de las Muñecas বা পুতুলের দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম রহস্যময় ও ভীতিকর স্থানের একটি, যেখানে হাজার হাজার পুরোনো, ক্ষয়প্রাপ্ত ও ভয়ংকর পুতুল ঝুলে আছে গাছের ডাল থেকে। কিংবদন্তি অনুযায়ী, প্রায় ৫০ বছর আগে জুলিয়ান সান্তানা ব্যারেলা নামে একজন ব্যক্তি খালে ডুবে যাওয়া এক মেয়ের মৃতদেহ দেখতে পান এবং এর কিছু পরেই পান একটি ভাসমান পুতুল। তিনি বিশ্বাস করতেন পুতুলটি সেই মেয়ের আত্মার মাধ্যম, তাই তিনি পুতুলটি গাছের ডালে ঝুলিয়ে দেন আত্মাকে শান্ত করতে। এরপর তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে পরিত্যক্ত পুতুল সংগ্রহ করতে থাকেন, আর ধীরে ধীরে পুরো দ্বীপটি পুতুলে ভরে ওঠে। বলা হয়, দ্বীপের পুতুলগুলো মাঝে মাঝে নড়াচড়া করে, চোখ খোলে বা অদ্ভুত শব্দ করে যা এই স্থানের রহস্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। অবাক করা বিষয় হলো, জুলিয়ানকেও পরে একই স্থানে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যেখানে মেয়েটি ডুবে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে এই দ্বীপটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র, যেখানে পর্যটকরা নৌকা ভাড়া করে পৌঁছান এবং স্থানীয়রা আরও পুতুল উপহার দিয়ে এই অদ্ভুত সংগ্রহের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করছেন।

লা ইসলা দে লাস মুনিয়েকাস- মেক্সিকো

৪. ব্যাটলশিপ আইল্যান্ড- নাগাসাকি, জাপান

জাপানের নাগাসাকি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হাশিমা দ্বীপ, যা তার আকৃতির কারণে ব্যাটলশিপ আইল্যান্ড বা জাপানিজে গুনকানজিমা নামে পরিচিত, একসময় বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দ্বীপগুলোর মধ্যে একটি ছিল। ১৮৯০ সালে মিতসুবিশি কর্পোরেশন দ্বীপটি কিনে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ কয়লা খনি স্থাপন করে, যা জাপানের শিল্পায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৫৯ সালে দ্বীপটির জনসংখ্যা প্রায় ৫,২০০-এর বেশি, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে একটি করে তোলে। তবে ১৯৫০-এর দশকে কয়লার ব্যবহার কমে যাওয়ায় এবং পেট্রোলিয়াম প্রধান জ্বালানি হিসেবে গুরুত্ব পাওয়ায়, ১৯৭৪ সালে মিতসুবিশি খনি বন্ধ করে দেয় এবং দ্বীপটি জনশূন্য হয়ে যায়। বর্তমানে হাশিমা দ্বীপ একটি পরিত্যক্ত ভুতুড়ে শহর, যেখানে শুধু কংক্রিটের ভবন এবং অন্যান্য অবকাঠামো দেখা যায়। ২০১৫ সালে এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। নাগাসাকি থেকে নৌকায় সহজে পৌঁছানো যায় এবং দ্বীপটি এখন পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় ভ্রমণ কেন্দ্র, যদিও এখানে আর কেউ বসবাস করে না।

ব্যাটলশিপ আইল্যান্ড- নাগাসাকি, জাপান

৫. প্যারিসের ক্যাটাকম্বস– ফ্রান্স

ফ্রান্সের প্যারিস শহরের নিচে অবস্থিত Catacombs of Paris একটি বিস্ময়কর ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল। যেখানে প্রায় ছয় মিলিয়ন মানুষের দেহাবশেষ সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষিত। এটি মূলত একটি বিশাল limestone খনির জটিল নেটওয়ার্ক যা প্যারিসের অনেক ঐতিহাসিক ভবন যেমন নোত্র দামের ক্যাথেড্রাল নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত হত। ১৮ শতকের শেষভাগে, প্যারিসের কবরস্থানগুলি, বিশেষ করে হলি ইনোসেন্টস কবরস্থান, মারাত্মকভাবে উপচে পড়ায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। সমাধান হিসেবে ১৭৮৫ সালে কর্তৃপক্ষ মৃতদেহগুলোকে এই ভূগর্ভস্থ খনিগুলোতে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে, ক্যাটাকম্বসে ছয় মিলিয়ন মানুষের দেহাবশেষ রয়েছে তবে এর একটি ছোট অংশ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীরা প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ অডিও গাইডের মাধ্যমে ভ্রমণ করতে পারেন। ক্যাটাকম্বস সাধারণত মঙ্গলবার থেকে রবিবার খোলা থাকে যদিও ৩ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের বসন্ত পর্যন্ত এটি সংস্কার কাজের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। ১৪তম অ্যারোন্ডিসমেন্টে অবস্থিত এই স্থানটি সরু ও অন্ধকার পথে প্রবেশযোগ্য এবং শুধু একটি পর্যটন আকর্ষণই নয় প্যারিসের ইতিহাস ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকেও তুলে ধরে।

প্যারিসের ক্যাটাকম্বস– ফ্রান্স

৬. পোভেলিয়া দ্বীপ– ইতালি

পোভেগলিয়া উত্তর ইতালির ভেনিসীয় উপহ্রদে ভেনিস এবং লিডোর মধ্যে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ। একটি ছোট খাল দ্বীপটিকে দুটি অংশে ভাগ করেছে। ইতিহাসে এই দ্বীপটি প্রথম দেখা যায় ৪২১ সালে এবং ১৩৭৯ সাল পর্যন্ত এটি জনবসতিপূর্ণ ছিল। তখন স্থানীয়রা কৃষিকাজে নিয়োজিত ছিল এবং দ্বীপটি শান্তিপূর্ণভাবে চলছিল। ১৭৭৬ সাল থেকে শুরু করে এক শতকেরও বেশি সময় ধরে দ্বীপটি ব্যবহৃত হয় কোয়ারেন্টাইন স্টেশন এবং পরবর্তীতে একটি বার্ধক্য হাসপাতাল হিসেবে। ১৯৬৮ সালে হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে যায়। সিলভিয়া স্প্রিগ তার ১৯৬১ সালের বই ‘দ্য লেগুন অফ ভেনিস’-এ দ্বীপটিকে দরিদ্র বৃদ্ধদের আবাসস্থল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, দ্বীপের সুস্থ-সবল বাসিন্দারা কৃষিক্ষেত্রে কাজ করত এবং আঙুর পিষে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে ওয়াইন তৈরি করত। ২০১৪ সালে, ইতালীয় রাজ্য পোভেগলিয়ার ৯৯ বছরের ইজারা নিলাম করে, যার সর্বোচ্চ দরপত্র আসে ব্যবসায়ী লুইজি ব্রুগনারোর কাছ থেকে। তিনি €২০ মিলিয়ন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছিলেন তবে প্রকল্পটি সমস্ত শর্ত পূরণ না করায় চুক্তি বাতিল হয়। একই বছর, নাগরিক সমিতি পোভেগলিয়া পার টুটি গঠিত হয় এবং ৪,৫০০ জন অবদানকারীর কাছ থেকে ৪৬০,০০০ ইউরো সংগ্রহ করা হয়। সমিতির লক্ষ্য ছিল দ্বীপটিকে অবাধে অ্যাক্সেসযোগ্য পাবলিক পার্কে রূপান্তর করা এবং বিদ্যমান ভবনগুলো পুনর্নির্মাণ করা। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর, ১ আগস্ট, ২০২৫-এ সমিতি উত্তর অংশের জন্য ৬ বছরের ছাড় পায়। পোভেগলিয়ার টিকে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোর মধ্যে রয়েছে কাভানা, গির্জা, হাসপাতাল, আশ্রয়স্থল, ঘণ্টা-মিনার, কর্মীদের আবাসন এবং প্রশাসনিক ভবন। দ্বীপের সবচেয়ে দৃশ্যমান কাঠামো হলো ঘণ্টা-মিনার, যা দ্বাদশ শতাব্দীর এবং মূলত সান ভিটালের গির্জার অংশ ছিল। ১৮০৬ সালে গির্জাটি ভেঙে দেয়া হয় এবং টাওয়ারটি বাতিঘর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একটি সেতু ভবনগুলিকে দ্বীপের অন্যান্য অংশের সাথে সংযুক্ত করে। এছাড়াও দ্বীপে অষ্টভুজাকার দুর্গ ও একাধিক প্লেগ গর্ত রয়েছে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের অনুমান অনুযায়ী, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানে ১০০,০০০ এরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল এবং প্লেগ গর্তে সমাহিত হয়। পোভেগলিয়া দ্বীপ আজও তার ইতিহাস, পরিত্যক্ত ভবন এবং অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার কারণে বিশ্বের অন্যতম ভৌতিক ও রহস্যময় দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।

পোভেলিয়া দ্বীপ– ইতালি

৭. দারভাজা ক্রেটার– তুর্কমেনিস্তান

দারভাজা ক্রেটার, যা স্থানীয়ভাবে নরকের দরজা নামে পরিচিত তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমিতে অবস্থিত একটি বিশাল জ্বলন্ত গর্ত। এটি ১৯৭১ সালে একটি দুর্ঘটনার ফলে সৃষ্টি হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের গ্যাস অনুসন্ধান দলের খনন কাজের সময় মাটি ধসে পড়ে, এবং একটি প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রের উপর বিস্ফোরণ ঘটে। বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন রোধে তখনকার কর্তৃপক্ষ এতে আগুন জ্বালান, যা প্রায় অব্যাহতভাবে জ্বলছে। এটি স্থানীয়দের কাছে "নরকের দরজা" নামে পরিচিত, কারণ এটি দেখতে একটি জ্বলন্ত গর্তের মতো এবং রাতের বেলা আলো বের হয়। এটি পর্যটকদের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যারা রাতের অন্ধকারে ক্রেটারের জ্বলন্ত দৃশ্য দেখতে ভিড় করেন। তবে পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত কারণে তুর্কমেনিস্তানের সরকার ক্রেটারটি বন্ধ করার এবং আগুন নেভানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। দারভাজা ক্রেটার কেবল একটি প্রাকৃতিক বিস্ময় নয়, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় এবং ভৌতিক প্রাকৃতিক আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম।


এই সব ভয়ঙ্কর ও রহস্যময় স্থান প্রমাণ করে, ভয় কেবল আতঙ্ক নয়, বরং এটি কৌতূহল, ইতিহাস এবং মানবিক অনুভূতিরও অংশ। প্রতিটি পরিত্যক্ত দ্বীপ, ভূগর্ভস্থ সমাধিস্থল বা জ্বলন্ত ক্রেটার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অজানাও সৌন্দর্যের মতোই আকর্ষণীয়। এসব স্থান শুধু রোমাঞ্চ বা ভয়ের অনুভূতি দেয় না, বরং ইতিহাস গল্প এবং প্রাকৃতিক বিস্ময় আমাদের ভেতরের কৌতূহলকে উদ্দীপিত করে। এই জায়গাগুলো দেখিয়ে দেয় যে, পরিচিত জগতের বাইরে যা আছে সে সমস্ত রহস্যময়তা আমাদের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করে।

--- বাউল পানকৌড়ি
ছোট এই চিহ্ন (@) তিন হাজার বছরের পুরনো---Click to Read
হ্যালোইন দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো ইতিহাস---Click to Read



Read on mobile

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url