হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা গান- হুমায়ূন গীতি পর্ব - ১ এই দুনিয়ায় সবাই গরিব
গল্পের জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ নিজেকে কখনই গীতিকার মনে করতেন না। তবে তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র ও নাটকের জন্য বেশ কিছু গান লিখেছিলেন। যার সবগুলো কালজয়ী হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। গীতিকার না হয়েও তিনি আমাদের উপহার দিয়েছেন এমন সব গান যেগুলো বাংলা সংগীতের অমূল্য সম্পদ। আজকের এই লেখায় থাকছে হুমায়ূন আহমেদের লেখা এমনই ১৩টি কালজয়ী গান।
👇 পর্ব-১ হুমায়ূন গীতি
🟨0️⃣1️⃣ এই দুনিয়ায় সবাই গরিব🟨0️⃣2️⃣ মাথায় পড়েছি সাদা ক্যাপ
🟨0️⃣3️⃣ ও আমার উড়াল পঙ্খীরে
🟨0️⃣4️⃣ চাঁদনী পসরে কে
🟨0️⃣5️⃣ ওরে ভাই শ্যাম কানাই
🟨0️⃣6️⃣ ও আমার রসিক বন্ধুরে
🟨0️⃣7️⃣ যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই
🟨0️⃣8️⃣ এই দিনতো দিন নয়
🟨0️⃣9️⃣ হুড়মুড় হুড়মুড় করে মেঘা
🟨1️⃣0️⃣ ও কারিগর দয়ার সাগর
🟨1️⃣1️⃣ হাবলংগের বাজার গিয়া
🟨1️⃣2️⃣ মন্দালক্ষ্যা নদীর তীরে
🟨1️⃣3️⃣ সখী বল আমারে বল
🟨0️⃣4️⃣ চাঁদনী পসরে কে
🟨0️⃣5️⃣ ওরে ভাই শ্যাম কানাই
🟨0️⃣6️⃣ ও আমার রসিক বন্ধুরে
🟨0️⃣7️⃣ যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই
🟨0️⃣8️⃣ এই দিনতো দিন নয়
🟨0️⃣9️⃣ হুড়মুড় হুড়মুড় করে মেঘা
🟨1️⃣0️⃣ ও কারিগর দয়ার সাগর
🟨1️⃣1️⃣ হাবলংগের বাজার গিয়া
🟨1️⃣2️⃣ মন্দালক্ষ্যা নদীর তীরে
🟨1️⃣3️⃣ সখী বল আমারে বল
🟨0️⃣1️⃣🟨
এই দুনিয়ায় সবাই গরিব
কণ্ঠ- বারী সিদ্দিকী
সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
চলচ্চিত্র : শ্রাবণ মেঘের দিন
হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা শেষ গান
কেহ গরিব অর্থের জন্য
কেহ গরিব রূপে
এই দুনিয়ার সবাই গরিব
কান্দে চুপে চুপে।
যে রাজার হাজার দুয়ার
লক্ষ কুঠুরি
তাহার ঘরেও বসত করে
অভাব নামের বুড়ি
রূপার খাটে বইসা বুড়ি
মজার মোয়া খায়
ধনে মান্য রাজার সনে
অভাব কিচ্ছা গায়।
ধন আছে জ্ঞান নাই
জ্ঞানের অভাব
ভবের কারখানায় দেখবা
ইহাই স্বভাব
মূল কথা কত কথা
হিমু পাগলায় কয়
এই দুনিয়ায় সবাই গরিব
ধনবান কেউ নয়।
কেহ গরিব অর্থের জন্য
কেহ গরিব রূপে
এই দুনিয়ার সবাই গরিব
কান্দে চুপে চুপে রে
কান্দে চুপে চুপে।
🟨0️⃣2️⃣🟨
মাথায় পড়েছি সাদা ক্যাপ
কণ্ঠ- আগুন
সুর ও সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
চলচ্চিত্র : দুই দুয়ারী
মাথায় পরেছি সাদা ক্যাপ
হাতে আছে অচেনা এক শহরের ম্যাপ।
ব্যাগ ঝুলিয়েছি কাঁধে
নামবো রাজপথে,
চারিদিকে ঝলমলে রোদ
কেটে যাবে আঁধারের ছায়া-অবরোধ।
চারিদিকে কী আনন্দ,
অতি তুচ্ছ পতঙ্গেরও অপূর্ব জীবন।
হয়তো শিশিরকণারও আছে
শুধু তার একান্ত-একা
আনন্দেরই ক্ষণ।
মাথায় পরেছি সাদা ক্যাপ
হাতে আছে অচেনা এক শহরের ম্যাপ।
আমি বলি, এই যে ব্রাদার হ্যালো
আমি কে? এইটুকু আমাকে শুধু বলো।
কোত্থেকে এসেছি আমি, ঠিকানাটা কী
এই জীবনে কী দেখেছি, কী দেখিনি।
দেখেছি মায়াময় দুই দুয়ারী ঘর
সেইখানে বাস করে অশ্রু কারিগর।
তাকে ঘিরে টলমল করে
নীলমণি দুঃখ সাগর।
দুই দুয়ার, খুলে দাও ভাই
অশ্রুর অবসান চাই।
নিয়ে এসো, চারদিকে ঝলমলে রোদ
কেটে যাক আঁধারের ছায়া-অবরোধ।
মাথায় পরেছি সাদা ক্যাপ
হাতে আছে অচেনা এক শহরের ম্যাপ।
🟨0️⃣3️⃣🟨
ও আমার উড়াল পঙ্খীরে
কণ্ঠ- সুবীর নন্দী
সুর ও সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
চলচ্চিত্র : চন্দ্রকথা
ও আমার উড়াল পঙ্খীরে
যা যা তুই উড়াল দিয়া যা
আমি থাকব মাটির ভরে,
আমার চোক্ষে বৃষ্টি পরে
তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা ।
ও আমার মনে বেজায় কষ্ট
সেই কষ্ট ইইল পষ্ট
দুই চোক্ষে ভর করিল আঁধার নিরাশা
তোর হইল মেঘের উপরে বাসা
ও আমার উড়াল পঙ্খীরে ।
মেঘবতী মেঘকুমারী মেঘের উপরে থাক
সুখ দুখ দুই বইনেরে কোলের উপরে রাখ
মাঝে মইধ্যে কান্দন করা মাঝে মইধ্যে হাসা
মেঘবতী আজ নিয়াছে মেঘের উপরে বাসা
ও আমার উড়াল পঙ্খীরে ।
ও আমার উড়াল পঙ্খীরে
যা যা তুই উড়াল দিয়া যা
আমি থাকব মাটির ভরে
আমার চোক্ষে বৃষ্টি পরে।
তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা।
🟨0️⃣4️⃣🟨
চাঁদনী পসরে কে আমারে স্মরণ করে
কণ্ঠ- সেলিম চৌধুরী
সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
চলচ্চিত্র : চন্দ্রকথা
চাঁদনী পসরে কে আমারে স্মরণ করে
কে আইসা দাড়াই সে গো আমার দুয়ারে
তাহারে চিনিনা আমি সে আমারে চিনে।
বাহিরে চাঁন্দের আলো ঘর অন্ধকার
খুলিয়া দিয়াছি ঘরের সকল দুয়ার।
তবু কেন সে আমার ঘরে আসেনা
সে আমারে চিনে কিন্তু আমি চিনিনা।
সে আমারে ঠারে ঠারে ইশারায় কয়
এই চাঁদের রাইতে তোমার হইছে গো সময়
ঘর ছাড়িয়া বাহির হও ধরো আমার হাত
তোমার জন্য আনছি গো আইজ চাঁন্দেরও দাওয়া।
🟨0️⃣5️⃣🟨
ওরে ভাই শ্যাম কানাই, কেন কর ধানাই পানাই
কণ্ঠ- ডা.এজাজুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ, স্বাধীন খসরু
সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
নাটক : আমরা জেগে আছি
ওরে ভাই শ্যাম কানাই
কেন কর ধানাই পানাই
যমুনার তীরে চল সময় কাটাই
ওরে ভাই শ্যাম কানাই
কেন কর ধানাই পানাই
যমুনায় জল নাই
ঢাকা শহরে যাই
বুড়িগঙ্গা খুঁজে পাই
বুড়িগঙ্গার তীরে আমরা সময় কাটাই
ওরে ভাই শ্যাম কানাই
কেন কর ধানাই পানাই
বুড়িগঙ্গার জল কালো
আমাদের লাগছে ভালো
আনন্দ-ফূর্তি করে সময় কাটাই
ওরে ভাই শ্যাম কানাই
কেন কর ধানাই পানাই...
🟨0️⃣6️⃣🟨
ও আমার রসিক বন্ধুরে
কণ্ঠ- আকলিমা বেগম
সুর ও সংগীত- এস আই টুটুল
চলচ্চিত্র- নয় নম্বর বিপদ সংকেত
ও আমার রসিক বন্ধুরে
তোর লাইগা আজ
হইছি দিওয়ানা
ষোলো আনা পিরিত কইরা
পাইছি এক আনা
ও আমার রসিক বন্ধুরে
তোর লাইগা আজ
হইছি দিওয়ানা...
আসমানে রঙিলা চাঁন
আমার ঘরে নাই
রঙিলা বান্ধবরে
কেমনে কাছে পাই
রঙ্গের বন্ধু রসের হাড়ি
রসের ঠিকানা
ও আমার রসিক বন্ধুরে
তোর লাইগা আজ
হইছি দিওয়ানা...
গাছের ডালে কুটুম পাখি
কুটুমেরে ডাকে
আমার কুটুম বইসা থাকে
মনা নদীর বাঁকে
আমার কুটুম কোনো দিকেও
ফিরে তাকায় না
ও আমার রসিক বন্ধুরে
তোর লাইগা আজ
হইছি দিওয়ানা...
🟨0️⃣7️⃣🟨
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই
কণ্ঠ- সেলিম চৌধুরী
সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
নাটক : সমুদ্র বিলাস (প্রা:) লিমিটেড
ওই আমার ভাই মনে শান্তি নাই
ওই আমার ভাই মনে শান্তি নাই
সবাই যায় সুখে নিদ্রা আমার নিদ্রা নাই
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই ।
নীল সমুদ্র সাদা ফেনা
যতই করুন ধার-দেনা
সেই সমুদ্র যায় না চেনা
মনে রাখা যায়।
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই।
একটা কথা বড় স্পষ্ট
মনে শুধুু দুঃখ কষ্ট
এক হলে কিছুই নাই
সমুদ্রে যাই।
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই
যাই যাই যাই সমুদ্রে যাই।
🟨0️⃣8️⃣🟨
এই দিনতো দিন নয় আরো দিন আছে
কণ্ঠ- কুদ্দুস বয়াতী
সুর ও সংগীত- কুদ্দুস বয়াতী ও তাঁর দল
নাটক : সবুজ ছায়া
এই দিন তো দিন নয়
আরো দিন আছেে
এই দিনেরে নিয়া যাবা
সেই দিনেরও কাছে।
ছয় বছর বয়স হইছে
আর ছাড়ান নাই
স্কুলেতে যাইতে হইবো
মনে রাখা চাই।
খোকা খুকি আন্ডা বাঁচ্চা
শোনো দিয়া মন
তোমরা সবাই পড়তে যাইবা
হইছে নির্ধারন ।
বাংলাদেশে আইন জারি
হইয়া গেছে ভাই
স্কুলে না যাইলে
আর ছাড়ান নাই।
🟨0️⃣9️⃣🟨
হুরমুড় হুরমুড় করে মেঘা
কণ্ঠ- সুবীর নন্দী
সুর ও সংগীত- মকসুদ জামিল মিন্টু
নাটক : উড়ে যায় বকপক্ষী
হুরমুড় হুরমুড় করে মেঘা
হুরমুড় হুরমুড় করে
আমার ঘরের চালায় বৃষ্টি
ঝুম ঝুমাইয়া পড়ে
ঝুম ঝুমাইয়া পড়ে বৃষ্টি
ঝুম ঝুমাইয়া পড়ে
সাঁইঝা কালে আমার মনটা
কেমন জানি করে।
বিলে আসে নয়া পানি
গাঙ্গে নামে ঢল
ঘুঙুর পইড়া নাচে রে বৃষ্টি
বৃষ্টির চোখে জল
আয় বৃষ্টি আয় রে
গাঙ্গের পানি যায় রে
মাঝ বিলে নাইওরি নাও
হাপুস হুপুস খায় রে।
🟨1️⃣0️⃣🟨
ও কারিগর দয়ার সাগর
মূল কণ্ঠ- এস আই টুটুল
সুর ও সংগীত- এস আই টুটুল
কভার- সেলিম চৌধুরী
নাটক :
ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওগো দয়াময়
চান্নি পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়।
চান্নি পসর চান্নি পসর আহারে আলো
কে বেসেছে কে বেসেছে তাহারে ভালো
কে দিয়েছে নিশি রাইতে দুধের চাদর গায়
কে খেলেছে চন্দ্র খেলা ধবল ছায়ায়
এখন খেলা থেমে গেছে মুছে গেছে রং
অনেক দূরে বাজছে ঘণ্টা ঢং ঢং ঢং
এখন যাব অচিন দেশে, অচিন কোন গায়
চন্দ্রকারিগরের কাছে ধবল পঙ্খী নায়
ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওগো দয়াময়
চান্নি পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়।
🟨1️⃣1️⃣ 🟨
হাবলংগের বাজার গিয়া
শিল্পী- সুবীর নন্দী
সুর- মকসুদ জামিল মিন্টু
নাটক- হাবলংগের বাজার
হাবলংগের বাজার গিয়া
দশ টাকা জমা দিয়া
আনিও কন্যা কিনিয়া
মনে যদি চায়
ও দরদি মনে যদি চায়।
মধ্যরাত্রি দুই প্রহরে
হাবলংগের বাজার বসে
যাইতে হবে চুপে চুপে
কথা হবে ঠারে ঠারে।
যেন কেউ মুখের কথা
শুনিতে না পায়
কন্যা কিনিতে তোমার
মনে যদি চায়
ও দরদি মনে যদি চায়।
সাথে যদি আধলি থাকে
মনে যদি ইচ্ছা থাকে
আলতা কিনবা এক ফাঁকে
পিন্দাইবা কন্যার পায়।
হাবলঙ্গের কন্যারে সাজাইবা
মনে যদি চায়
কন্যা কিনিতে তোমার
মনে যদি চায়
ও দরদি মনে যদি চায়।
🟨1️⃣2️⃣🟨
মন্দালক্ষ্যা নদীর তীরে
কন্ঠ- সেলিম চৌধুরী
সুর- মাকসুদ জামিল মিন্টু
মন্দালক্ষ্যা নদীর তীরে
সন্ধ্যাকালী গ্রামে
বৈশাখের মেলা বসেছে
বিরামে বিশ্রামে।
সেই মেলাতে কত মজা হয়
ঘুর ঘুরান্তি নাগরদোলা
মনে লাগে ভয়
সেই মেলাতে কত মজা হয়।
পাও চালাইয়া চলগো চন্দ্র
কালা মেঘা নামে
বৃষ্টির মধ্যে মেলায় যাবে
কার এত সখ
চন্দ্র যাবে চন্দ্র যাবে
যার নাকে তে নোলক
যার হাতে কাঁচের চুড়ি
কচুয়া শাড়ি গায়
যার পায়ে রূপার নূপুর
ঝুমুর ঝুমুর বায়।
বুক ধরফর করে গো চন্দ্র
মন চনমন করে
এই বুঝি মাথার উপরে
বৃষ্টি ঢুইলা পড়ে
ও বৃষ্টি তুই আসবি না
চন্দ্ররে ভিজাবি না
মেলায় যেন ঘুরতে পারে
আনন্দে আরামে।
🟨1️⃣3️⃣🟨
সখী বল আমারে বল
কভার- সেলিম চৌধুরী
সখী বল আমারে বল
কে পরাইলো আমার চোখে কলঙ্ক কাজল?
আমি যার কাছে যায় সে-ই আমারে কত মন্দ বলে
আমার ইচ্ছা করে ডুইব্বা মরি নিজের চোখের জলে।
আমি ঘর ছাড়িলাম বনে গেলাম
বনে মানুষ নাই
না মানুষী বনে যদি তোমার দেখা পায়।।
জংলা গাছে হাজার পাখি
বন্ধু তুমি নাই
বন্ধু তুমি নাই নাই নাই কাছে নাই।
বনের গাছ সেও আমারে আজ মন্দ বলে
আমার ইচ্ছা করে ডুইব্বা মরি নিজের চোখের জলে।
সখী বল আমারে বল
কে পরাইলো আমার চোখে কলঙ্ক কাজল?
আমি বন ছাড়িলাম মাঠে গেলাম
মাঠে মানুষ নাই,
না মানুষী মাঠে যদি তোমার দেখা পায়।
খোলা মাঠের ঘূর্ণি হাওয়া ফিস্ফিসাইয়া কয়
কলঙ্কিনি মেয়ে আসে কেউ থাকিবার নয়
সন্ধ্যা কালে বিরান মাঠে জিনের আগুন জ্বলে
আমার ইচ্ছা করে ডুইব্বা মরি নিজের চোখের জলে।
সখী বল আমারে বল
কে পরাইলো আমার চোখে কলঙ্ক কাজল?
আমি যার কাছে যায় সে-ই আমারে কত মন্দ বলে,
আমার ইচ্ছা করে ডুইব্বা মরি নিজের চোখের জলে।
--- বাউল পানকৌড়ি
হুমায়ূন আহমেদ এর কবিতা সমগ্র--Click to Read
চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এর লেখা গান ---Click to Read
Read on mobile

