ফুটবলকে যদি বলা হয় একটি ধর্ম তবে মেক্সিকো সেই ধর্মের অন্যতম প্রধান উপাসনালয়। লাতিন আমেরিকার এই দেশটির বাতাসে যেন ফুটবলের গন্ধ ভেসে বেড়ায়। রঙ-বেরঙের সোম্ব্রেরো টুপি, মারিয়াচি ব্যান্ডের সুর আর গ্যালারিতে ‘মেক্সিকান ওয়েভ’সব মিলিয়ে মেক্সিকোর ফুটবল মানেই এক উৎসব।
কিন্তু এই উৎসবের পেছনের ইতিহাসটা কেমন ছিল? আজটেক এবং মায়া সভ্যতার এই দেশে কীভাবে ফুটবল হয়ে উঠল গণমানুষের প্রধান আবেগ? মেক্সিকান ফুটবলের সেই রোমাঞ্চকর, গৌরবময় এবং কখনো কখনো আক্ষেপের ইতিহাস নিয়েই আমাদের আজকের এই বিস্তারিত আয়োজন।
মেক্সিকোতে ফুটবলের আগমন: খনি শ্রমিকদের হাত ধরে গোড়াপত্তন
১৯ শতকের শেষের দিকে মেক্সিকোতে ফুটবলের আগমন ঘটে, তবে কোনো লাতিন আমেরিকানের হাত ধরে নয়, বরং ব্রিটিশদের মাধ্যমে। ১৮৯৮ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে ইংল্যান্ডের কর্নওয়াল (Cornwall) থেকে আসা একদল কর্নিশ খনি শ্রমিক মেক্সিকোর ‘হিদালগো’ (Hidalgo) অঙ্গরাজ্যের পাচুকা (Pachuca) অঞ্চলের খনিতে কাজ করতে আসেন।
কাজ শেষে অবসরের বিনোদন হিসেবে এই ব্রিটিশ শ্রমিকরাই মেক্সিকোর মাটিতে প্রথম ফুটবল খেলা শুরু করেন। ১৯০১ সালে তাদের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় মেক্সিকোর প্রথম আনুষ্ঠানিক ক্লাব ‘পাচুকা অ্যাথলেটিক ক্লাব’। শুরুর দিকে খেলাটি কেবল ব্রিটিশদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
কিন্তু ১৯০২ সালে যখন একটি স্থানীয় লিগ চালু হয়, তখন মেক্সিকান তরুণদের মধ্যেও এই খেলার প্রতি তুমুল আগ্রহ তৈরি হয়। ১৯১০ সালের মেক্সিকান বিপ্লবের পর, ফুটবল আমলাতন্ত্র ও উচ্চবিত্তের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মেক্সিকানদের নিজস্ব খেলায় পরিণত হয়।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ এবং মেক্সিকোর ঐতিহাসিক সূচনা
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সাথে মেক্সিকোর নাম চিরদিনের জন্য খোদাই হয়ে গেছে। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে যখন ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়, তখন উদ্বোধনী ম্যাচটিতে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স এবং মেক্সিকো। অর্থাৎ, বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম কিক-অফ করা দলগুলোর একটি মেক্সিকো।
যদিও সেই ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল তারা, তবুও প্রথম বিশ্বকাপের অংশ হওয়াটা ছিল মেক্সিকান ফুটবলের জন্য এক বিশাল মাইলফলক। বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম গোলটি হজম করেছিলেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক অস্কার বোনফিগ্লিও।
তবে মেক্সিকোর ফুটবল এগিয়ে যেতে সময় নেয়নি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ওয়েলসের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে তারা বিশ্বকাপে তাদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করে এবং ১৯৬২ বিশ্বকাপে চেকোস্লোভাকিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ পায়।
দুই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ ও মারাদোনা-পেলের স্মৃতিবিজড়িত ‘আজটেক’
মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সোনালী ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হলো ১৯৭০ এবং ১৯৮৬ সাল। মেক্সিকো পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে দুইবার এককভাবে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করার অনন্য কীর্তি গড়েছিল। বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই দুটি মহোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন করে তারা নিজেদের নাম ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় করে রাখে।
ফুটবল প্রেমী ও বিশ্লেষকদের মতে, মেক্সিকোর মাটিতে আয়োজিত এই দুই বিশ্বকাপই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুটি আসর হিসেবে স্বীকৃত। প্রথমটিতে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের ফুটবল সম্রাট হিসেবে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার গল্প, আর দ্বিতীয়টিতে আর্জেন্টাইন জাদুকর ডিয়েগো মারাদোনার একক নৈপুণ্যে ‘ফুটবল ঈশ্বর’ হয়ে ওঠার মহাকাব্য সবকিছুরই রাজসাক্ষী হয়ে আছে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজটেক স্টেডিয়াম।
১৯৭০ বিশ্বকাপ: পেলের ব্রাজিলের রাজত্ব
১৯৭০ সালে মেক্সিকোর মাটিতে বসেছিল ফুটবলের এক অবিস্মরণীয় চাঁদের হাট। মেক্সিকোর তপ্ত আবহাওয়া আর প্রগাঢ় আতিথেয়তার মধ্যে সেবার মাঠ কাঁপিয়েছিল পেলের কিংবদন্তি ব্রাজিল দল। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭০ সালের সেই সেলেসাও বাহিনীই ছিল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবল দল।
টুর্নামেন্টের ফাইনালে মেক্সিকোর বিখ্যাত আজটেক স্টেডিয়ামে (Estadio Azteca) ইতালির মুখোমুখি হয় ব্রাজিল। সেখানে ইতালিকে ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে পেলে তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ও শেষ বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেছিলেন। এই জয়ের মাধ্যমে ব্রাজিল ফুটবল ইতিহাসে তাদের একচ্ছত্র রাজত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে।
ঐতিহাসিক এই টুর্নামেন্টে মেক্সিকান দর্শকদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও উন্মাদনা পুরো আসরটিকে ফুটবল রোমান্টিসিজমের এক অনন্য শিখরে নিয়ে গিয়েছিল। স্বাগতিক দল হিসেবে দর্শকদের সেই জোরালো অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে মেক্সিকোও সেবার দারুণ পারফর্ম করে এবং প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানোর গৌরব অর্জন করে।
১৯৮৬ বিশ্বকাপ: মারাদোনার মহাকাব্য
মূলত কলম্বিয়ার ১৯৮৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা ছিল, কিন্তু তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তারা অপারগতা প্রকাশ করে। এমন পরিস্থিতিতে ফিফা পুনরায় মেক্সিকোর ওপর ভরসা রাখে এবং দায়িত্ব অর্পণ করে। মেক্সিকোও হতাশ করেনি, তারা বিশ্বকে উপহার দেয় এমন এক টুর্নামেন্ট, যা ফুটবল ইতিহাসে চিরকাল অমর হয়ে আছে। প্রকৃতপক্ষে, ১৯৮৬ সালের সেই আসরটি ছিল এককভাবে ডিয়েগো আরমান্দো মারাদোনার বিশ্বকাপ।
এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও স্মরণীয় মুহূর্তটি তৈরি হয়েছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে। মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজটেক স্টেডিয়ামে মারাদোনা প্রথমে তাঁর সেই বহুল বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ (Hand of God) গোলটি করেন। কিন্তু এর ঠিক চার মিনিট পরেই মাঝমাঠ থেকে একক নৈপুণ্যে একের পর এক ইংলিশ ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে তিনি করেন ফুটবল ইতিহাসের ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ (Goal of the Century)।
এই অবিস্মরণীয় কীর্তিগুলোর মধ্য দিয়ে মেক্সিকোর মাটি থেকেই মারাদোনা ফুটবল বিশ্বে এক জীবন্ত কিংবদন্তি বা ‘ফুটবল ঈশ্বর’ হয়ে উঠেছিলেন। অন্যদিকে স্বাগতিক দল হিসেবে মেক্সিকোও এই আসরে দারুণ খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল, যা এখন পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপে তাদের সর্বোচ্চ ও অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে গণ্য করা হয়।
উত্তর আমেরিকার রাজা: কনকাকাফ অঞ্চলে আধিপত্য
বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে মেক্সিকোকে যতটা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, নিজেদের অঞ্চল অর্থাৎ কনকাকাফ (CONCACAF)-এ তারা ততটাই অপ্রতিরোধ্য। মেক্সিকোকে বলা হয় উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবলের ‘জায়ান্ট’।
আঞ্চলিক টুর্নামেন্ট ‘কনকাকাফ গোল্ড কাপ’-এ মেক্সিকোর ধারেকাছেও কেউ নেই। তারা রেকর্ড সংখ্যকবার এই শিরোপা জিতেছে এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের ফুটবল দ্বৈরথ এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
এছাড়া ১৯৯৯ সালে ঘরের মাঠে ফিফা কনফেডারেশন কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ব্রাজিলকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছিল মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক সাফল্য। অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপেও মেক্সিকো দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (২০০৫ ও ২০১১)।
‘কুয়ার্তো পার্তিদো’ বা পঞ্চম ম্যাচের অভিশাপ (The Fifth Match Curse)
মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসে যেমন গৌরব আছে, তেমনি আছে একটি অদ্ভুত ও ট্র্যাজিক আক্ষেপ, যাকে ফুটবলের ভাষায় বলা হয় ‘The Fifth Match Curse’ বা পঞ্চম ম্যাচের অভিশাপ।
১৯৯৪ থেকে ২০১৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত—টানা সাতটি বিশ্বকাপে মেক্সিকো অত্যন্ত চমৎকার ফুটবল খেলে গ্রুপ পর্ব পার হয়েছে এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে (রাউন্ড অব ১৬) উঠেছে। কিন্তু প্রতিবারই তারা চতুর্থ ম্যাচ অর্থাৎ দ্বিতীয় রাউন্ডের বাধা টপকে পঞ্চম ম্যাচ বা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।
কখনো জার্মানি, কখনো আর্জেন্টিনা, আবার কখনো নেদারল্যান্ডসের কাছে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় হেরে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে তো তারা গ্রুপ পর্বই পার হতে পারেনি। এই ‘পঞ্চম ম্যাচের জুজু’ কাটাতে না পারা মেক্সিকান ফুটবল ভক্তদের জন্য এক দীর্ঘশ্বাসের নাম।
কুইজের বর্ণনা ও নিয়মাবলী (Quiz Description & Guidelines)
💡 কুইজটি খেলার আগে জেনে নিন:
- এখানে জার্মান ফুটবল নিয়ে মোট ১০টি বহুনির্বাচনী (MCQ) প্রশ্ন রয়েছে।
- প্রতিটি প্রশ্নের ৪টি করে অপশন থাকবে।
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার সাথে সাথেই আপনি আপনার স্কোর দেখতে পাবেন।
নিচের কুইজ সেকশনে যান, সঠিক অপশনে ক্লিক করুন এবং কুইজ শেষে কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান আপনার স্কোর কত হলো! শুভকামনা।
এল ট্রি (El Tri)| স্মেক্সিকান ফুটবল কুইজ
🏆 আপনার স্কোর
০ / ১০
মেক্সিকান ফুটবলের পঞ্চ-পাণ্ডব: ইতিহাসের সেরা তারকা
মেক্সিকোর ফুটবলকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছেন বেশ কয়েকজন বিশ্বমানের ফুটবলার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:
- হুগো সানচেজ (Hugo Sánchez): তাকে মেক্সিকোর ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলা হয়। আশির দশকে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনি গোলবন্যার সৃষ্টি করেছিলেন। রিয়ালের হয়ে টানা চারবার এবং মোট পাঁচবার লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘পিচিচি’ জিতেছিলেন তিনি। তার অ্যাক্রোবেটিক ওভারহেড কিক এবং গোল উদযাপনের ফ্লিপ ফুটবল দুনিয়ায় রাজত্ব করেছে।
- রাফায়েল মার্কেজ (Rafa Márquez): মেক্সিকোর ফুটবলের ‘ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক’। বার্সেলোনার হয়ে সোনালী সময় পার করা এই ডিফেন্ডার ইতিহাসের অন্যতম সেরা সেন্টার ব্যাক। তিনি বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ৫টি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০০২ থেকে ২০১৮) নিজ দেশের হয়ে অধিনায়কত্ব করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।
- হাভিয়ের হার্নান্দেজ ‘চিচারিতো’ (Chicharito): ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবে খেলা এই স্ট্রাইকার বক্সে বল পাসের ক্ষেত্রে ছিলেন ক্লিনিকাল। তিনি মেক্সিকোর জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
- গুইলার্মো ওচোয়া (Guillermo Ochoa): কোঁকড়া চুলের এই গোলরক্ষক মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসের এক জীবন্ত উপকথা। ক্লাব ফুটবলে খুব বড় নাম না হলেও, বিশ্বকাপ এলেই ওচোয়া যেন হয়ে ওঠেন অপরাজিত এক দেয়াল। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে তার সেভগুলো ফুটবল ইতিহাসের সেরা গোলকিপিং পারফরম্যান্সের অন্যতম।
- অ্যান্ড্রেস গুয়াদাদো (Andrés Guardado): মেক্সিকোর মাঝমাঠের প্রাণভোমরা এবং জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডধারী খেলোয়াড়।
বর্তমান দৃশ্যপট ও ২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন দিগন্ত
মেক্সিকোর ফুটবল এখন এক নতুন ট্রানজিশন বা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পুরোনো তারকারা বিদায় নিচ্ছেন এবং নতুন প্রজন্মের সান্তিয়াগো জিমেনেজের মতো তরুণ তুর্কিরা ইউরোপের বুকে নিজেদের মেলে ধরছেন।
তবে মেক্সিকান ফুটবলের সবচেয়ে বড় রোমাঞ্চের কারণ বর্তমান সময়টা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোতে।এর মাধ্যমে মেক্সিকো পৃথিবীর একমাত্র দেশ হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপে স্বাগতিক (Co-host) হওয়ার অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়ল।
মেক্সিকোর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ভক্তদের আশা, ঘরের মাঠের এই চেনা কন্ডিশন এবং গ্যালারির আকাশচুম্বী সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে এবার তারা ‘পঞ্চম ম্যাচের অভিশাপ’ ভেঙে নতুন কোনো ইতিহাস রচনা করবে।
