একটি অ্যালবাম, কয়েকটি অসাধারণ গান আর একঝাঁক তরুণের স্বপ্ন। এই নিয়েই নব্বইয়ের দশকের বাংলা ব্যান্ড সংগীতে নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছিল পেপার রাইম (Paper Rhyme)। খুব বেশি অ্যালবাম কিংবা দীর্ঘ সংগীতজীবন না থাকলেও ব্যান্ডটির গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলিন। বিশেষ করে ‘অন্ধকার ঘরে’ গানটি পেপার রাইমকে দিয়েছে এক বিশেষ অবস্থান। একটি মাত্র স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেই যে ব্যান্ড শ্রোতাদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিতে পারে, পেপার রাইম তারই অনন্য উদাহরণ।এই লেখায় পেপার রাইম ব্যান্ডের ইতিহাস, সদস্য পরিচিতি, একমাত্র অ্যালবাম, জনপ্রিয় গান এবং তাদের সংগীতযাত্রার নানা অজানা গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
পেপার রাইম এক নজরে
বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে পেপার রাইম একটি অনন্য নাম। মাত্র একটি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেও ব্যান্ডটি শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছে। নিচের টেবিলে পেপার রাইমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ব্যান্ডের নাম | পেপার রাইম (Paper Rhyme) |
| যাত্রা শুরু | ২৪ জানুয়ারি, ১৯৯২ |
| ধরন | পপ-রক, মেলোডি-রক |
| একমাত্র স্টুডিও অ্যালবাম | ‘পেপার রাইম’ (১৯৯৬, সাউন্ডটেক) |
| জনপ্রিয় গান | অন্ধকার ঘরে, আকাশের কী রং, এলোমেলো |
| মূল কণ্ঠশিল্পী | আহমেদ সাদ (প্রয়াত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৪) |
| শেষ স্টুডিও পরিবেশনা | ‘দাঁড়াও বন্ধু’ (‘আবার’ অ্যালবাম, ২০১৭) |
📱 সম্পূর্ণ টেবিলটি দেখতে ডানে-বামে স্ক্রল করুন।
পেপার রাইমের জন্ম ও ব্যান্ড গঠন
১৯৯২ সালের ২৪ জানুয়ারি পেপার রাইমের যাত্রা শুরু হয়। স্কুলজীবনের কয়েকজন বন্ধুর সংগীতের প্রতি ভালোবাসা ও একসঙ্গে কাজ করার স্বপ্ন থেকে গড়ে ওঠে ব্যান্ডটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের কাছাকাছি এলাকায় তাদের বেড়ে ওঠা। এমনকি অনুশীলনের জন্য হলের একটি কোয়ার্টারের গ্যারেজকেও তারা ব্যবহার করত।
পেপার রাইম ব্যান্ড লাইনআপ
ব্যান্ডটির মূল লাইনআপে ছিলেন পাঁচজন। অ্যালবামের ইনলে কার্ডে প্রত্যেকের পরিচয় দেওয়া হয়েছে মজার ছলে, যা থেকে তাঁদের রসিকতাপ্রিয় স্বভাবের আভাস মেলে। প্রত্যেকের আলাদা সংগীতবোধ ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছিল পেপার রাইমের নিজস্ব সংগীতধারা।
- আহমেদ সাদ (ভোকাল): ইনলে কার্ডে লেখা, “আমাদের চমৎকার ভোকালিস্ট, যিনি কীভাবে যেন প্রতিবার ভয়েস রেকর্ডিংয়ের আগেই ঠান্ডা লাগিয়ে বসেন।”
- রাশেদ ইকবাল (গিটার): “আমাদের গিটারিস্ট, যিনি সবসময় এমন সব আইডিয়া নিয়ে আসেন যা তিনি নিজেই সামলাতে পারেন না, আর সেটা বাজাতে গিয়ে নাস্তানাবুদ হন।”
- নাসের হক (কিবোর্ড): “আমাদের কিবোর্ডিস্ট, যিনি নিজের বাজানো কোনো নোট কখনো ভোলেন না, অথচ রিহার্সাল করেন বছরে মাত্র একবার। অদ্ভুত, তাই না?”
- শুমান জামান (বেস): “আমাদের বেজিস্ট, যিনি এত বেশি ইম্প্রোভাইজ করতে ভালোবাসেন যে গতবার কী বাজিয়েছিলেন তা মনে রাখার কোনো প্রয়োজনই বোধ করেন না।”
- অনিন্দ্য কবির অভিক (ড্রাম): “আমাদের ড্রামার, যিনি অনুশীলনের সময় বুনো হয়ে ওঠেন, কিন্তু স্টুডিওতে বাজানোর কথা এলেই নার্ভাস হয়ে পড়েন।”
উল্লেখ্য, পেপার রাইমে যোগ দেওয়ার আগে রাশেদ ইকবাল ও নাসের হক জনপ্রিয় পপ-রক ত্রয়ী ‘মাসরুর-রাশেদ-নাসের’-এর সদস্য ছিলেন। এই ত্রয়ীর ‘লেসন-১’ ও ‘লেসন-২’ নামে দুটি অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছিল।
একমাত্র অ্যালবাম ‘পেপার রাইম’ ও জনপ্রিয়তা
১৯৯৬ সালে সাউন্ডটেকের ব্যানারে ক্যাসেট ফরম্যাটে প্রকাশিত হয় পেপার রাইমের প্রথম ও একমাত্র স্বনামধন্য স্টুডিও অ্যালবাম ‘পেপার রাইম’। পরবর্তী সময়ে সহস্রাব্দের শেষভাগে ‘সিলভার ডিস্ক’ থেকে অ্যালবামটি সিডি আকারেও প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে নব্বইয়ের দশকের পপ-রক সংগীতে নিজেদের আলাদা পরিচয় তুলে ধরে ব্যান্ডটি।
এর গানগুলোর মধ্যে ‘অন্ধকার ঘরে’, ‘আকাশের কী রং’ ও ‘এলোমেলো’ বিশেষভাবে শ্রোতাপ্রিয়তা অর্জন করে। গানের কথার স্বতন্ত্র আবহ, সুরের বৈচিত্র্য এবং মেলোডি-রকের মিশ্রণ পেপার রাইমকে সে সময়ের অন্য ব্যান্ডগুলোর তুলনায় আলাদা করে তুলেছিল।
অ্যালবামের পেছনের মজার গল্প
অ্যালবামটির পেছনের গল্পও বেশ মজার। ব্যান্ডের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যালবামটি তৈরি করতে তাঁদের প্রায় চার বছর সময় লেগেছিল। এর মধ্যে প্রথম তিন বছরই তাঁরা ব্যস্ত ছিলেন কোন প্রযুক্তি ও ফরম্যাটে গান রেকর্ড করা হবে তার সিদ্ধান্ত নিতে। ৪-ট্র্যাক, ৮-ট্র্যাক, ১৬-ট্র্যাক, ডিজিটাল না অ্যানালগ, নাকি কোয়ার্টার-ইঞ্চি, হাফ-ইঞ্চি, ওয়ান-ইঞ্চি, অপটিক্যাল, হার্ডডিস্ক, কোন পদ্ধতিতে রেকর্ডিং করা হবে, এমন নানা বিষয় নিয়ে ভাবতে গিয়েই সংগীতচর্চার জন্য তাঁদের হাতে সময় কমে গিয়েছিল। ব্যান্ডের সদস্যরা নিজেদের স্বভাবসুলভ রসিকতায় বলেছিলেন, আরেকটু বেশি সময় পেলে, এমনকি আরও চার বছর পেলেও, তাঁরা হয়তো আরও ভালো কিছু করতে পারতেন!
অ্যালবাম ট্র্যাকলিস্ট: পেপার রাইম
- এলোমেলো – কথা ও সুর: সাদ/রাশেদ/নাসের
- সময়ের হাতে – কথা ও সুর: শাম্মী
- আকাশের রং কি – কথা ও সুর : রাশেদ
- হাওয়ায় আসে ভেসে – কথা: সুষম, সুর: Bob Dylan-Blowin in the wind
- কোন এক বিকেলে – কথা ও সুর: সাদ/রাশেদ/নাসের
- কখনও কি খুজেছো – কথা ও সুর: শাম্মী
- বৈশাখে – কথা ও সুর : রাশেদ
- কেন যে সে – কথা ও সুর : রাশেদ
- অন্ধকার ঘরে – কথা ও সুর: শাম্মী
- যখনই আকাশে – কথা ও সুর: শাম্মী
- একবার বলে যাও – -?
- অবসর ভালোবাসা – কথা ও সুর: সাদ/রাশেদ/নাসের
অ্যালবামের কারিগরি তথ্য
- লেবেল: Soundtek (সাউন্ডটেক)
- সিডি মাস্টারিং: এম.আর. চৌধুরী (M.R. Chowdhury)
- রেকর্ডিং ও মিক্সিং: অডিও আর্ট স্টুডিও
- ইঞ্জিনিয়ারিং: আসাদ, আনিস, গুড্ডু ও আজম বাবু
- মিক্সিং: আজম বাবু
- ফটোগ্রাফি- কাশেফ
- কার্টুন: অভিক
- গ্রাফিকস: রাশেদ
‘অন্ধকার ঘরে’: গান থেকে এক কিংবদন্তি
পেপার রাইমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্মরণীয় গান ‘অন্ধকার ঘরে’। গানটি প্রকাশের পর থেকেই ব্যান্ডটি সংগীতপ্রেমীদের একটি বিশেষ অনুরাগী গোষ্ঠীর কাছে পরিচিতি পায়। তবে ২০০৭-২০০৮ সালের দিকে গানটি নতুন করে তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সে সময় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি গানটির একটি অ্যাকুস্টিক কাভার পরিবেশন করেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন WAP সাইট ও অনলাইন মিউজিক ফোরামে সেই কাভার ছড়িয়ে পড়ে। অনেক নতুন শ্রোতা গানটির সঙ্গে পরিচিত হলেও এর মূল শিল্পী যে পেপার রাইম, তা জানতেন না।
গানটিকে ঘিরে ছড়ানো গুজব ও প্রকৃত সত্য
গানটিকে ঘিরে তখন একটি অদ্ভুত গল্পও ছড়িয়ে পড়ে। প্রচলিত গুজব অনুযায়ী, যিনি গানটির অ্যাকুস্টিক কাভার গেয়েছিলেন, তিনিই নাকি গানটির রচয়িতা এবং জীবনের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। কিন্তু এই গল্পের কোনো সত্যতা ছিল না। ২০১৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পেপার রাইম তাদের আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করে। ব্যান্ডটি জানায়, আত্মহত্যার গল্পটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। গানটির গীতিকার শাম্মী (Shammi) জীবিত আছেন এবং ভালো আছেন। এভাবেই ‘অন্ধকার ঘরে’ গানকে ঘিরে দীর্ঘদিনের একটি ভুল ধারণার অবসান ঘটে।
দীর্ঘ বিরতি ও পুনর্জাগরণের চেষ্টা
একটি সফল অ্যালবামের পরও পেপার রাইমের সংগীতযাত্রা দীর্ঘ হয়নি। ১৯৯৬ সালের পর সদস্যরা নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন ও ব্যস্ততায় আলাদা হয়ে পড়েন। ব্যান্ডের কার্যক্রমও ধীরে ধীরে থেমে যায়। সদস্যরা নিজেদের এই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াকে মজা করে ‘হারিয়ে যাওয়া’ বলে উল্লেখ করেছেন। ফলে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় কোনো স্টুডিও অ্যালবাম আর প্রকাশিত হয়নি।
২০০৯ সালে নতুন উদ্যোগ
পেপার রাইমকে আবার সক্রিয় করার চেষ্টা হয়েছিল ২০০৯ সালে। এ সময় নতুন সদস্য হিসেবে মিরাজ ও লোনি ব্যান্ডে যুক্ত হন। ২০১১ সালে বিদেশ থেকে ফিরে ড্রামার অনিন্দ্য কবির অভিকও আবার ব্যান্ডে যোগ দেন।
অসমাপ্ত রয়ে গেল নতুন অ্যালবাম
নতুন অ্যালবাম তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঠিক সেই সময় কণ্ঠশিল্পী আহমেদ সাদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফলে নতুন অ্যালবামের পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। ২০১২ সালের দিকে কার্যত পেপার রাইমের নিয়মিত কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।
‘আবার’ অ্যালবামে শেষবারের মতো ফেরা
দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৭ সালে নব্বইয়ের দশকের ব্যান্ডগুলোর সমন্বয়ে প্রকাশিত ‘আবার’ (Abar) নামের একটি মিক্সড অ্যালবামের মাধ্যমে আবারও সংগীতপ্রেমীদের সামনে আসে পেপার রাইম। আশিক মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশিত এই সংকলন অ্যালবামে ব্যান্ডটির ‘দাঁড়াও বন্ধু’ শিরোনামের একটি গান স্থান পায়।
এই পরিবেশনায় মূল সদস্যদের মধ্যে রাশেদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন না। দীর্ঘ বিরতির পর এটিই ছিল ব্যান্ডটির শেষ স্টুডিও পরিবেশনা। নতুন অ্যালবাম প্রকাশের স্বপ্ন পূরণ না হলেও ‘দাঁড়াও বন্ধু’ গানটির মাধ্যমে পেপার রাইম আবারও তাদের পুরোনো শ্রোতাদের কাছে ফিরে আসে।
আহমেদ সাদের প্রয়াণ: একটি কণ্ঠের বিদায়
পেপার রাইমের সবচেয়ে পরিচিত কণ্ঠ আহমেদ সাদ। ‘অন্ধকার ঘরে’র মতো স্মরণীয় গানের মাধ্যমে তিনি নব্বইয়ের দশকের শ্রোতাদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২০২৪ সালের ২৩ এপ্রিল রাত ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রয়াণে বাংলা ব্যান্ড সংগীত হারায় এক স্বতন্ত্র কণ্ঠশিল্পীকে। পেপার রাইমের সংগীতযাত্রা থেমে গেলেও আহমেদ সাদের কণ্ঠে গাওয়া গানগুলো আজও শ্রোতাদের কাছে তাঁর স্মৃতি বহন করে চলেছে। তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
উপসংহার: অ্যালবামের সংখ্যায় নয়, গানেই বেঁচে থাকে ব্যান্ড
পেপার রাইমের ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। ১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু, ১৯৯৬ সালে একমাত্র অ্যালবাম প্রকাশ, এরপর দীর্ঘ বিরতি এবং ২০১৭ সালে শেষবারের মতো ফিরে আসা, এই ছিল ব্যান্ডটির সংগীতজীবনের সংক্ষিপ্ত পথচলা। কিন্তু অ্যালবামের সংখ্যা দিয়ে সব সময় একটি ব্যান্ডের গুরুত্ব বিচার করা যায় না। ‘অন্ধকার ঘরে’, ‘আকাশের কী রং’ ও ‘এলোমেলো’র মতো গান পেপার রাইমকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে সংগীতপ্রেমীদের স্মৃতিতে।
আহমেদ সাদের কণ্ঠ, ব্যান্ডটির স্বতন্ত্র সংগীতধারা এবং নব্বইয়ের দশকের সেই সময়ের আবহ মিলিয়ে পেপার রাইম হয়ে আছে বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এক স্মরণীয় নাম।কখনো কখনো কিংবদন্তি হয়ে ওঠার জন্য অনেক অ্যালবামের প্রয়োজন হয় না। একটি অ্যালবাম, কয়েকটি কালজয়ী গান আর শ্রোতাদের ভালোবাসাই যথেষ্ট। পেপার রাইম তারই প্রমাণ।
পেপার রাইম সম্পর্কে FAQ
প্রশ্ন: পেপার রাইম কবে গঠিত হয়?
উত্তর: ২৪ জানুয়ারি ১৯৯২ সালে।
প্রশ্ন: পেপার রাইমের একমাত্র অ্যালবামের নাম কী?
উত্তর: ‘পেপার রাইম’, যা ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন: পেপার রাইমের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান কোনটি?
উত্তর: ‘অন্ধকার ঘরে’ ব্যান্ডটির সবচেয়ে জনপ্রিয় গান।
প্রশ্ন: পেপার রাইমের প্রধান কণ্ঠশিল্পী কে ছিলেন?
উত্তর: আহমেদ সাদ।
প্রশ্ন: আহমেদ সাদ কবে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ২৩ এপ্রিল ২০২৪।
আরও পড়ুন:
- ব্যান্ড মাইলস (Miles): শুরুর পাঁচটি অ্যালবাম
- রেনেসাঁ ব্যান্ড : বাংলা ব্যান্ড সংগীতের নবজাগরণ
- আর্ক (ARK) ব্যান্ড: বাংলাদেশের রকের বিগ থ্রি
- ওয়ারফেজ: আমাদের কৈশোরের নস্টালজিয়া
- উইনিং (Winning) ব্যান্ডের ইতিহাস: সদস্য, অ্যালবাম
- উইনিংয়ের চন্দন জামান আলী: একক অ্যালবাম
- আসাদুল্লাহ দেহলভী: জেমসের নেপথ্যের গীতিকার


