রক সংগীতের ইতিহাসে Slash নামটি উচ্চারণ করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে লম্বা কোঁকড়ানো চুল, কালো টুপি, সানগ্লাস এবং হাতে Gibson Les Paul গিটার। Guns N’ Roses-এর “Sweet Child o’ Mine”, “November Rain” কিংবা “Welcome to the Jungle”-এর গিটার সলো দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই কিংবদন্তি গিটারিস্টের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে একেবারে অন্য রকম একটি পরিচয়। Slash-এর নামে রাখা হয়েছে একটি নতুন সাপের বৈজ্ঞানিক নাম Lielaphis slashi। নিউ গিনির বনাঞ্চলে পাওয়া এই সাপটি বিষধর নয়। তবে এর নামকরণের গল্পটি বেশ চমকপ্রদ। কারণ এটি শুধু কোনো বিখ্যাত ব্যক্তির সম্মানে দেওয়া নাম নয়; এর পেছনে রয়েছে একজন বিজ্ঞানীর ছোটবেলার Slash-ভক্তি, সরীসৃপের প্রতি আগ্রহ এবং বহু বছর পর একটি নতুন প্রজাতি শনাক্ত করার ঘটনা। তাহলে কেমন দেখতে এই সাপ? কেন এর নামের সঙ্গে Slash-এর নাম জুড়ে দেওয়া হলো? আর Guns N’ Roses-এর গিটারিস্টের সঙ্গে সাপের সম্পর্কই বা কোথায়?চলুন জানা যাক Lielaphis slashi-এর সেই অদ্ভুত ও মজার গল্প।
Lielaphis slashi: এক নজরে
- বৈজ্ঞানিক নাম: Lielaphis slashi
- সাধারণ নাম: Slash’s groundsnake
- গণ: Lielaphis
- পরিবার: Colubridae
- অবস্থান: উত্তর-পূর্ব নিউ গিনির নিম্নভূমি
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭১ সেন্টিমিটার বা ২৮ ইঞ্চি
- রং: লালচে-বাদামি
- বিষধর? না, এটি non-venomous
- স্বভাব: নিশাচর ও স্থলচর
- বৈজ্ঞানিকভাবে নতুন প্রজাতি হিসেবে বর্ণনা: ২০২৬
- গবেষণাপত্র প্রকাশ: Zootaxa, ১১ আগস্ট ২০২৬
গবেষণাপত্রে Lielaphis slashi-কে নিউ গিনির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিম্নভূমি থেকে শনাক্ত করা হয়েছে। Field Museum-এর তথ্য অনুযায়ী, সাপটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮ ইঞ্চি এবং এর শরীর লালচে-বাদামি। এটি নিশাচর groundsnake বা স্থলচর সাপ।
একটা সাপ, বিশ বছরের অপেক্ষা
গল্পটার শুরু আজ থেকে প্রায় দুই দশক আগে। ২০০৬ সালে নিউ গিনি দ্বীপে মাঠপর্যায়ের গবেষণা চালানোর সময় বিজ্ঞানী Chris Austin রাতের বেলা একটি সাপের নমুনা সংগ্রহ করেন—লালচে-বাদামি রঙের, প্রায় ৭১ সেন্টিমিটার (২৮ ইঞ্চির কাছাকাছি) লম্বা একটি স্থলচর সাপ। তখন এটিকে পরিচিত কোনো প্রজাতিরই সদস্য বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যপ্রাণীর নতুন প্রজাতি শনাক্ত করা সহজ কাজ নয়। কাছাকাছি সম্পর্কযুক্ত প্রজাতিগুলো দেখতে প্রায় একই রকম হতে পারে, তাই শুধু চোখে দেখে আলাদা করা কঠিন। তাই বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে বিভিন্ন তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করেন-
- দেহের গঠন ও আঁশের সংখ্যা
- মাথার আকৃতি, রং ও বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য
- জিনগত পার্থক্য
- ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য
ফিল্ড মিউজিয়ামের গবেষক দল তিয়ানকি হুয়াং, ক্রিস অস্টিন, জাস্টিন বার্নস্টেইন, বুলিসা ইওভা, জ্যাকসন রবার্টস, জেফ্রি ফ্রেডরিক ও সারা রুয়ানে এই দীর্ঘ বিশ্লেষণের পর নিশ্চিত হন যে সাপটি আসলে সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি। এর ফলে Lielaphis গণে স্বীকৃত প্রজাতির সংখ্যা ১৯ থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ২০টিতে। সুখবর হলো, এই সাপ মানুষের জন্য বিপজ্জনক নয় এতে কোনো বিষ নেই। মুখের পেছনের বড় দাঁতগুলো সম্ভবত ছোট টিকটিকি বা অন্য সরীসৃপের ডিম শিকারে ব্যবহৃত হয়। সূর্য ডোবার পর বড় গাছের গোড়ায় খাবারের খোঁজে বেরোয় এই লাজুক প্রাণীটি, আর এর জীবনযাত্রা নিয়ে এখনো বিজ্ঞানীদের জানার অনেক কিছুই বাকি।
যে ভালোবাসা থেকে এলো Slash-এর নামটা
এখন প্রশ্ন হলো একজন রক গিটারিস্টের নাম কেন গেল একটা সাপের গায়ে? উত্তর লুকিয়ে আছে ফিল্ড মিউজিয়ামের হারপেটোলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কিউরেটর সারা রুয়ানে-র ছেলেবেলার স্মৃতিতে।ক্লাস ওয়ানে থাকতেই সারা Guns N' Roses-এর গান ভালোবাসতে শুরু করেন, আর ক্লাস ফাইভে পৌঁছে শিক্ষককে বলে ফেলেছিলেন বড় হয়ে তিনি একজন হারপেটোলজিস্ট, অর্থাৎ সরীসৃপ নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী হতে চান। বারো বছর বয়সে তাঁর হাতে আসে Reptiles Magazine-এর একটি কপি, যার প্রচ্ছদে ছিলেন Slash, কোলে তাঁর পোষা রেটিকুলেটেড পাইথন নিয়ে। সেই ছবি দেখে কিশোরী সারার মনে হয়েছিল এই মানুষটা সত্যিই দারুণ।
বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ছবি আর অনুভূতি তাঁর মনে থেকে যায়। পরবর্তীতে Slash-এর একটি সাক্ষাৎকার পড়ে তিনি জানতে পারেন, জাদুঘর-চিড়িয়াখানার প্রতি তাঁর কতটা ভালোবাসা, ছোটবেলায় বাইরে গিয়ে সাপ খুঁজে বেড়ানোর গল্পও শোনেন। রক সংগীতের প্রতি ভালোবাসা আর সরীসৃপের প্রতি আগ্রহ দুই জগৎ যেন বহু বছর পর একই বিন্দুতে এসে মিলল। তাই যখন নতুন এই সাপের বৈজ্ঞানিক নাম ঠিক করার সুযোগ এলো, সারা ও তাঁর দল সিদ্ধান্ত নেন এই সম্মান প্রাপ্য Slash-এরই। শুধু একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে নয়, বরং আজীবনের এক "হারপেফাইল" সরীসৃপ-উভচর প্রাণীর প্রতি গভীর অনুরাগী মানুষ হিসেবে।
Slash-এর প্রতিক্রিয়া
খবরটা শুনে Slash নিজেও আপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁর ভাষায়, দীর্ঘদিনের একজন সরীসৃপপ্রেমী হিসেবে নিউ গিনির এই সাপের নামে তাঁর নাম যুক্ত হওয়াটা তাঁর কাছে অত্যন্ত সম্মান আর কৃতজ্ঞতার বিষয় এমন মুহূর্ত আসতে পারে তা তিনি কখনো কল্পনাও করেননি। আসলে সাপের প্রতি Slash-এর এই আকর্ষণ নতুন কিছু নয়। সংগীত জগতে পা রাখার বহু আগে থেকেই তিনি সরীসৃপ পুষে আসছেন। এই ভালোবাসা কতটা গভীর, তা বোঝা যায় ১৯৯৪ সালের একটি সিদ্ধান্ত থেকে যখন তিনি নিজেই গঠন করেন Slash's Snakepit নামের একটি সুপারগ্রুপ, যেখানে Guns N' Roses, Alice in Chains আর Jellyfish-এর সদস্যরা একত্র হয়েছিলেন। ব্যান্ডের নামেই যেন লুকিয়ে ছিল তাঁর ভালোবাসার ইঙ্গিত। ফিল্ড মিউজিয়াম পরিদর্শনের সময় Slash সারা রুয়ানের সঙ্গে ছবিও তোলেন, হাতে ছিল সেই পুরনো Reptiles Magazine-এর কপি যেখানে বহু বছর আগে তাঁরই ছবি ছাপা হয়েছিল।
"Welcome to the Jungle" থেকে সত্যিকারের জঙ্গলে
মজার একটা কাকতালীয় ব্যাপারও আছে এখানে। Guns N' Roses-এর সবচেয়ে পরিচিত গানগুলোর একটি "Welcome to the Jungle"। আর এবার সেই "jungle" শব্দটার সঙ্গে Slash-এর নামের এক বাস্তব সংযোগ তৈরি হলো—তাঁর নাম এখন সত্যিকারের এক বনজ প্রাণীর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। তবে স্পষ্ট করে বলা ভালো-Lielaphis slashi নামটা কোনো গান থেকে আসেনি। এসেছে Slash-এর ব্যক্তিগত সরীসৃপপ্রেম আর একজন গবেষকের দীর্ঘদিনের অনুরাগ থেকে।
নামের আড়ালে একটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
পুরো ঘটনাটা শুনতে যতটা মজার আর আবেগঘন লাগছে, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আরও গভীর একটা বার্তা। সারা রুয়ানে নিজেই জানিয়েছেন, Slash-এর গ্রাউন্ডস্নেকের আবাসস্থল আজ হুমকির মুখে কফি চাষ আর খনি শিল্পের বিস্তারের কারণে নিউ গিনির বনভূমি ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। ঠিক এই কারণেই নতুন প্রজাতি খুঁজে বের করে বৈজ্ঞানিকভাবে নথিভুক্ত করাটা জরুরি। একটি প্রাণীর অস্তিত্ব বিজ্ঞানীদের অজানা থাকলে তার সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও সহজে বোঝা যায় না। প্রতিটি প্রজাতি শনাক্ত করা মানে বাস্তুতন্ত্রের জটিল জালটাকে আরেকটু ভালোভাবে বোঝা প্রকৃতির প্রতিটি অংশ কীভাবে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, তা উপলব্ধি করা।
গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞান সাময়িকী Zootaxa-তে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি গবেষণায়ও দেখা গিয়েছিল, নিউ গিনির গ্রাউন্ডস্নেক প্রজাতিগুলোর মধ্যে বৈচিত্র্য বিজ্ঞানীরা যতটা ভেবেছিলেন, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই এবার নতুন প্রজাতির সন্ধান মিলল, যার একটি Slash-এর নামে।
Slash's groundsnake দেখতে আসলে কেমন
গল্পের মাঝে একটু থেমে দেখে নেওয়া যাক, যে সাপটাকে নিয়ে এত কথা, সেটা দেখতে আসলে কেমন। Lielaphis slashi আকারে খুব বড় নয় দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮ ইঞ্চি বা ৭১ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি। গায়ের রং লালচে-বাদামি, আর এটি একটি স্থলচর সাপ, অর্থাৎ মাটির কাছাকাছি চলাফেরা করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ। নিশাচর স্বভাবের কারণে দিনের বেলায় একে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব; রাতে বড় গাছের গোড়ার আশপাশে গেলে হয়তো দেখা মিলতে পারে। খাদ্যাভ্যাস নিয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্যের অভাব আছে, তবে একই গণের অন্য গ্রাউন্ডস্নেকদের অভ্যাস দেখে গবেষকদের ধারণা, এরা ছোট টিকটিকি আর অন্য সরীসৃপের ডিম খেয়ে বাঁচে। বোয়া কনস্ট্রিক্টরের মতো শিকারকে পেঁচিয়ে ধরার বদলে, মুখের পেছনের বড় দাঁত দিয়েই সম্ভবত শিকার সামলায় এই সাপ।
আর সবচেয়ে স্বস্তির খবর তো আগেই বলা হয়েছে এতে বিষ নেই। তবে একটা কথা মনে রাখা জরুরি: বিষধর নয় মানেই যে কোনো বন্য সাপকে হাতে তুলে নেওয়া নিরাপদ, এমনটা ভাবা ঠিক নয়। বিশেষ করে নিউ গিনির মতো জায়গায় দেখতে প্রায় একই রকম বিষধর প্রজাতিও থাকতে পারে, তাই বন্য সাপ দেখলে দূর থেকে দেখাই সবচেয়ে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল আচরণ।
নিউ গিনিতে কেন এত নতুন সাপ মিলছে
প্রশ্ন আসতেই পারে একের পর এক নতুন সাপ কেন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে এই দ্বীপ থেকে? উত্তরটা লুকিয়ে আছে নিউ গিনির ভূগোলেই। পৃথিবীর অন্যতম জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ এই দ্বীপের ঘন ক্রান্তীয় বনাঞ্চলের অনেকখানি এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে তুলনামূলক অচেনা। তার ওপর Lielaphis গণের গ্রাউন্ডস্নেকগুলো দেখতে প্রায় একই রকম, নিশাচর, আর চোখের আড়ালে চলে যেতে ওস্তাদ। ফলে বহু বছর ধরে এদের প্রকৃত বৈচিত্র্য বিজ্ঞানীদের নজর এড়িয়ে গেছে। গবেষকরাই বলছেন, এই সাপগোষ্ঠীতে আরও অজানা প্রজাতি থাকার সম্ভাবনা যথেষ্ট।
রক সংগীত আর বিজ্ঞানের অদ্ভুত মেলবন্ধন
জনপ্রিয় সংস্কৃতি আর বিজ্ঞানের মধ্যে আমরা সাধারণত অনেক দূরত্ব দেখি। একদিকে রক কনসার্ট, গিটার, অ্যালবাম; অন্যদিকে গবেষণাগার, জিনগত বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক নামকরণ। Lielaphis slashi যেন সেই দূরত্বটাকে কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। একজন কিশোরী Slash-এর ছবি দেখে সরীসৃপের প্রতি আগ্রহী হলেন। পরে তিনি বিজ্ঞানী হলেন। আর বহু বছর পর একটা নতুন সাপের নামের সঙ্গে সেই সংগীতশিল্পীর নাম জুড়ে গেল। এই গল্পটা তাই একই সঙ্গে রক সংগীত, ব্যক্তিগত অনুপ্রেরণা আর বিজ্ঞানের এক মানবিক আখ্যান।
আর এই খবর আমাদের মনে করিয়ে দেয় নিউ গিনির মতো জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ অঞ্চলে প্রকৃতি এখনো অনেক রহস্য লুকিয়ে রেখেছে। ২০০৬ সালে খুঁজে পাওয়া একটা সাপকে নতুন প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করতেই সময় লেগেছে প্রায় দুই দশক। ভাবা যায়, পৃথিবীর কোণে কোণে এমন আরও কত অজানা প্রাণী নীরবে বেঁচে আছে? গানস এন্ড রোজেসের গিটারিস্ট বর্তমানে উত্তর আমেরিকা জুড়ে ব্যান্ডের সঙ্গে ট্যুরে ব্যস্ত থাকলেও, নিউ গিনির গহীন জঙ্গলে তাঁর নামের একটা ছোট্ট, বিষহীন সাপ নিঃশব্দে বেঁচে থাকবে—রাতের অন্ধকারে গাছের গোড়ায় খাবার খুঁজবে, আর মনে করিয়ে দেবে যে সংগীত আর বিজ্ঞান, শিল্প আর প্রকৃতি এদের মধ্যে দূরত্ব হয়তো আমরা যতটা ভাবি, ততটা নয়।
FAQ: সংক্ষেপে যা জানা দরকার
প্রশ্ন ১: Lielaphis slashi কী?
নিউ গিনির বনাঞ্চলে পাওয়া একটি নতুন, বিষহীন সাপের প্রজাতি। প্রচলিত নাম Slash's groundsnake।
প্রশ্ন ২: নামটা Slash-এর নামে কেন?
গবেষক সারা রুয়ানের ছেলেবেলার Slash-ভক্তি ও Slash-এর নিজের সরীসৃপপ্রেম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই নাম রাখা হয়েছে।
প্রশ্ন ৩: Slash-এর আসল নাম কী?
সল হাডসন (Saul Hudson), Guns N' Roses-এর গিটারিস্ট।
প্রশ্ন ৪: Lielaphis slashi সাপটি কি বিষধর?
না, এটি বিষহীন এবং মানুষের জন্য বিপজ্জনক নয়।
প্রশ্ন ৫: Lielaphis slashi সাপটি কত বড়?
প্রায় ২৮ ইঞ্চি বা ৭১ সেন্টিমিটার লম্বা।
প্রশ্ন ৬: Lielaphis slashi সাপটি প্রথম কবে পাওয়া যায়?
২০০৬ সালে, তবে নতুন প্রজাতি হিসেবে নিশ্চিত হতে প্রায় দুই দশক লেগেছে।
প্রশ্ন ৭: Lielaphis slashi এই আবিষ্কার কোথায় প্রকাশিত হয়েছে?
২০২৬ সালে Zootaxa জার্নালে।
প্রশ্ন ৮: নতুন প্রজাতি আবিষ্কার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব জানা থাকলেই তার আবাসস্থল, আচরণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজনীয়তা বোঝা সম্ভব হয় অজানা প্রাণীকে রক্ষা করা যায় না।
আরও পড়ুন:
- আবেদিন ক্রেটার: শিল্পাচার্যের মহাজাগতিক স্মারক
- পৃথিবীতে কোন ধর্মের মানুষ কত? WRD/Pew তথ্য
- বৌদ্ধধর্ম: বুদ্ধের শিক্ষা, চার আর্যসত্য ও নির্বাণ
- দ্য লাস্ট সাপার: লিওনার্দোর রহস্যময় মাস্টারপিস
- স্বস্তিকার ইতিহাস: পবিত্র প্রতীক থেকে নাৎসি চিহ্ন
- বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত জাদুঘর: নিরাপত্তার গল্প
- সবচেয়ে ভাষাবহুল ১০টি দেশ: কত ভাষা প্রচলিত?
- ২০টি বৃহত্তম দেশ: আয়তনে কোন দেশ শীর্ষে?

